Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীকে যদি না হারাতাম , তবে চন্দ্রনাথকে চলে যেতে হতো না ,পোস্টমর্টেম হওয়ার পরই বিস্ফোরক শুভেন্দু

deshersamay

Share article:

বুধবার রাতে আপ্তসহায়কের মৃত্যুর খবর পেয়েই মধ্যমগ্রামে ছুটে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের পর দেহ বের করার সময়ও সেখানে দেখা গেল শুভেন্দুকে। সঙ্গে আরও দুই বিজেপি সাংসদ ও অন্যান্য নেতারা। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু দাবি করলেন, ভবানীপুরে না জিতলে চন্দ্রনাথকে এভাবে খুন হতে হত না। চন্দ্রনাথের মৃত্যু ‘ব্যক্তিগত ক্ষতি’ বলে মন্তব্য করলেন শুভেন্দু।

বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামে শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সহায়ক (ইএ) চন্দ্রনাথকে পর পর গুলি করে খুন করা হয়। ঘটনার খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছন শুভেন্দু। দু’ঘণ্টা হাসপাতালে থাকার পরে রাত প্রায় ২টো নাগাদ হাসপাতাল থেকে বার হয়ে তিনি বলেছিলেন, পূর্ব পরিকল্পিত খুন। এখানে ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত ও অন্য পুলিশকর্তারা এসেছিলেন। এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির যোগ থাকতে পারে। আপাতত রাজ্য পুলিশের উপরে ভরসা রাখছি।’

বৃহস্পতিবার বারাসত হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল চন্দ্রনাথের দেহ। শুভেন্দুও সেখানে গিয়েছিলেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্য়মের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘একটি নিষ্পাপ, শিক্ষিত, তরুণকে খুন করা হল কেবলমাত্র বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক বলে আর শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছে বলে।‘ শুভেন্দু আরও বলেন, ‘চন্দ্রনাথের অপরাধের কোনও ইতিহাস নেই। ও সরাসরি রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিল না। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সহায়ক হওয়ার জন্যই ওকে খুন করা হয়েছে।’

বুকের স্কেচ তৈরি করে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে: শুভেন্দু
“গত ৩-৪ দিন ধরে রেইকি করে, যেভাবে পাঁচটি বুলেট তাঁর শরীরে বিদ্ধ করা হয়েছে, যেভাবে তাঁর বুকের স্কেচ তৈরি করে তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে, তাতে নিন্দা আর দুঃখপ্রকাশ করার ভাষা পাচ্ছি না।”

শুভেন্দু আরও জানিয়েছেন, অমিত শাহ থেকে নিতিন নবীন প্রত্যেকেই বুধবার থেকে চন্দ্রনাথের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এমনকী অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সদস্যরাও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

শুভেন্দুর বক্তব্য, সরাসরি কোনও রাজনৈতিক পরিচয় নেই চন্দ্রনাথের। কখনও কনও মঞ্চে দাঁড়িয়ে কাউকে আক্রমণ করেননি। তবে চন্দ্রনাথের মা বিজেপি নেত্রী। শুভেন্দু বলেন, “আমার দায়িত্ব, ওঁর কন্যাসন্তান ও স্ত্রীকে দেখা। পরিবারের দাবি, অতি দ্রুত খুনীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা, এটাও আমার দায়িত্ব।”

শুভেন্দু জানান, সিআইডি ও সিট তদন্ত করবে। ইতিমধ্য়ে তদন্ত এগিয়েছে বলে আশ্বাস দিয়েছেন ডিজিপি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা। ঘটনাস্থল থেকে চার কিলোমিটার দূরে উদ্ধার হয়েছে একটি সন্দেহজনক বাইক।

শুভেন্দু বলেন, ‘আমার আপ্তসহায়ক ছিল বলেই চন্দ্রনাথ রথকে চলে যেতে হল। আমি যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীপুরে না হারাতাম, তা হলে ওর এই পরিণতি হতো না। ’

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন