

সোমবার, সপ্তাহের প্রথম দিনেই ব্যাহত বনগাঁ-শিয়ালদহ শাখায় ট্রেন চলাচল। আপ ও ডাউন দুই দিকেই ব্যাহত পরিষেবা। গোবরডাঙা স্টেশনে পয়েন্ট খারাপ হয়ে যাওয়ার জেরেই এই সমস্যা বলে জানা গিয়েছে। এ দিকে সপ্তাহের শুরুর দিনে, কর্মব্যস্ত সময়ে ট্রেন বিভ্রাটে ব্যাপক ভোগান্তির মুখে যাত্রীরা। সঠিক সময়ে ট্রেন না আসায় স্টেশনে স্টেশনে বাড়ছে যাত্রীদের ভিড়।

রেল সূত্রে খবর, এই মুহূর্তে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। তবে প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে চলছে ট্রেন বলে দাবি যাত্রীদের। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, গোবরডাঙা স্টেশনের পয়েন্টে ত্রুটি ধরা পড়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রেন চলাচল স্থগিত রাখা হয়। এর জেরে একাধিক ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়ে। সকালের ব্যস্ত সময়ে যাত্রীদের ভিড় থাকায় ট্রেনগুলিতে বাদুরঝোলা ভিড় দেখা যায়।

পূর্ব রেলের জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি এই সময় অনলাইনকে বলেন,‘সমস্যা হয়েছিল গোবরডাঙা স্টেশনের পয়েন্টে। সকাল ৮টা ৪৯ মিনিটে প্রথম পয়েন্টে সমস্যার বিষয়টি ধরা পড়ে। রেলের কাছে খবর আসার সঙ্গে তা দ্রুত মেরামত করা হয়। সাময়িক সমস্যা হয়েছে রেল চলাচলে, তবে বর্তমানে সব স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে।’ সমস্যা মিটে গেলেও, স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়া ট্রেনগুলি গন্তব্যে পৌঁছতে কত দেরি হয় এবং কতক্ষণে স্বাভাবিক হয় পরিষেবা সেটাই দেখার।

এদিকে মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহ হওয়ায় বিভিন্ন অফিসে ‘ইয়ার এন্ডিং’-এর চাপ চলছে। সেই পরিস্থিতিতে
ট্রেন পরিষেবা হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম সমস্যায় পড়েন অফিস যাত্রীরা। অনেকেই বাধ্য হয়ে বাস, অটো-সহ অন্যান্য বিকল্প পরিবহণ ব্যবহার করে কর্মস্থলে পৌঁছনোর চেষ্টা করেন। কিন্তু সেখানেও অতিরিক্ত ভিড়ে ভোগান্তির মুখে পড়েন অনেকে।

ট্রেন না পাওয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দেন যাত্রীরা। ভুক্তভোগী এক যাত্রী শশীধর দেবনাথ বলেন,‘এতক্ষণ ট্রেন বন্ধ, কখন অফিস পৌঁছতে পারব জানি না। ৯টা ১০-এর লোকাল এল ১০টা ৪৫ মিনিটে। এত ভিড় তাতেও উঠতে পারিনি। রাস্তার অবস্থাও তথৈবচ। সোমবারেই অফিসে লেট।’




