Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

Weather Update: শীতে কি শনির দশা? আবারও থমকাবে শীতের ব্যাটিং?‌কী জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদেরা

deshersamay

Share article:

দেশের সময় কলকাতা: ঠান্ডায় কাঁটা পশ্চিমী ঝঞ্ঝার। শুকনো বাতাসের জোগান কমতেই বেড়ে গেল রাতের তাপমাত্রা। শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের চেয়ে ১ ডিগ্রি বেশি। তাপমাত্রা বেড়েছে জেলাতেও। শুধু ঝঞ্ঝা নয়, হাজির হতে চলেছে খলনায়ক নিম্নচাপও।

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের ভ্রুকুটি। থমকাবে শীতের ব্যাটিং?‌ হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস নভেম্বরের শেষের দিকে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হবে নিম্নচাপ। আন্দামান সাগর এলাকায় সোমবার নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তী দুদিনে তা শক্তি বাড়াবে। দক্ষিণ–পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। আগামী ২৪ ঘন্টায় দক্ষিণ আন্দামান সাগরে তৈরি হবে ঘূর্ণাবর্ত। এই ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার পর অভিমুখ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল। তবে তা গতিপথ পরিবর্তন করে বা শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে হবে কিনা সেদিকে নজর রেখেছে হাওয়া অফিস। 


তবে দক্ষিণবঙ্গে আগামী দুদিন শীতের আমেজ বজায় থাকবে। তাপমাত্রা ১৮–২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। মঙ্গলবার থেকে আবহাওয়া বদলের সম্ভাবনা। তাপমাত্রা বাড়বে দক্ষিণবঙ্গের উপকূল সংলগ্ন জেলাগুলির। তবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া–সহ পশ্চিমের বেশ কিছু জেলার তাপমাত্রা ১৫–১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। নতুন করে তাপমাত্রা নামার সম্ভাবনা কম। নভেম্বরের শেষ দিকে দার্জিলিং, কালিম্পংয়ে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রসঙ্গত, শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের চেয়ে ১ ডিগ্রি বেশি।

শনিদেবকে কর্মফলের দাতা বলা হয়। বিশ্বাস করা হয় যে যখন শনিদেবের দোষ চলতে থাকে, তখন পরিস্থিতি হয় টালমাটাল। চলতি বছরের শীতের মরশুম দেখে ঠিক তেমনটাই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। কারণ শীতের ‘জীবনে’ও মারাত্মকভাবে টালমাটাল অবস্থা চলছে। এই হঠাৎই পারদপতন। আবার দুপ্ করে সে পারদ উঠেও যাচ্ছে। রাতে মোটা কম্বল গায়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েও যেন হচ্ছে না।

শুক্রবার রাত থেকেই হঠাৎ করে পারদ চড়ল। তার আগের দু’দিনে আবার পারদ নেমেছিল ১৭-র কোঠায়। কারণ আবহাওয়াবিদরা বলছেন, শীত শুরুর মুখেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝা নামক ‘শনির দৃষ্টি’ পড়েছে। আর তারই রোষের শিকার হতে হচ্ছে বঙ্গবাসীকে। চলতি মরশুমে এখনও পর্যন্ত ঠান্ডা সেভাবে পড়লই না। নভেম্বর শেষ, এখনও সোয়েটর সেভাবে বার করা হয়ে ওঠেনি সেভাবে। বাতাসের শুষ্কতা সেভাবে শরীরে অনুভূতই হচ্ছে না।

বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের আশঙ্কা। তার প্রভাবে নভেম্বর-শেষে কাঁটা ঠান্ডায়। হাজির হচ্ছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝাও। কলকাতা, ১৯ ডিগ্রি, আর জেলায় ১৪-১৫ ডিগ্রির ঘরে পারদ। বাড়ছে পারে রাতের তাপমাত্রা। মৌসম ভবন জানিয়েছে, ২৫ নভেম্বর আন্দামান সাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত হাজির হতে চলেছে। ২৬ নভেম্বর নিম্নচাপে পরিণত হবে ঘূর্ণাবর্ত। ২৯ নভেম্বর নাগাদ গভীর নিম্নচাপ সৃষ্টির পূর্বাভাস। নিম্নচাপের অভিমুখ এখনও স্পষ্ট নয়। নিম্নচাপ কতটা শক্তি বাড়ায়, সে দিকেও নজর হাওয়া অফিসের।

Advertisement
Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন