Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

SSC Group D Recruitment: গ্রুপ ডি নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের,রায় চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যাচ্ছে রাজ্য সরকার

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ এসএসসি গ্রুপ  ডি নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট৷ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধায়৷ এ দিন এই নির্দেশ দিয়েছেন৷ ২১ ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধায়৷

হাইকোর্টের এই সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে যাওয়ার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবারই এ ব্যাপারে ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হতে পারে।

গ্রুপ ডি নিয়োগ মামলায় স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের বয়ানে এক্ষেত্রে মিল পাওয়া যায়নি। তাই আদালতের বক্তব্য, এই দুই সংস্থার মধ্যে কাজ করছে কোনও অদৃশ্য হাত। তা খুঁজে বের করতেই তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার হাতে।

হাইকোর্টের সামনে পঁচিশটি নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ মামলাকারীদের তরফে হলফনামার সঙ্গে জমা দেওয়া হয়েছিল৷ পরে আরও ৫২৫টি নিয়োগকে ভুয়ো বলে দাবি করে মামলাকারীদের তরফে আদালতে তথ্যপ্রমাণ জমা দেওয়া হয়৷ এই নিয়োগগুলি ভুয়ো বলে মামলাকারীদের আইনজীবীর অভিযোগ ছিল৷

হাইকোর্টের সামনে পঁচিশটি নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ মামলাকারীদের তরফে হলফনামার সঙ্গে জমা দেওয়া হয়েছিল৷ পরে আরও ৫২৫টি নিয়োগকে ভুয়ো বলে দাবি করে মামলাকারীদের তরফে আদালতে তথ্যপ্রমাণ জমা দেওয়া হয়৷ এই নিয়োগগুলি ভুয়ো বলে মামলাকারীদের আইনজীবীর অভিযোগ ছিল৷

এসএসসি-র তরফে আদালতে দাবি করা হয়, ওই পঁচিশটি নিয়োগের জন্য তারা কোনও সুপারিশ করেনি৷ আবার এ দিন আদালতে হলফনামা দিয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি জানান, এসএসসি-র থেকে সুপারিশ পেয়েই উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে প্রায় ৯২৫টি নিয়োগ তারা করেছেন৷ সেই সমস্ত সুপারিশের নথি পর্ষদের কাছে রয়েছে বলেও হলফনামায় জানিয়ে দেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়৷

পর্ষদের এই হলফনামা দেখেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধায় মন্তব্য করেন, এই সমস্ত নিয়োগের পিছনে কোনও অদৃশ্য হাত রয়েছে৷ যে রহস্য খুঁজে বের করার জন্য সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন বিচারপতি৷ যদিও রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলের তরফে রাজ্য সরকারি কোনও সংস্থা বা সিটকে দিয়েই তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছিল৷ সেই আর্জি অবশ্য খারিজ করে দেয় আদালত৷

সিবিআই-এর ডিজি-কে দেওয়া নির্দেশে হাইকোর্ট জানিয়েছে, ডিআইজি পদমর্যাদার কোনও অফিসারকে দিয়েই তদন্ত করাতে হবে৷ মামলাকারীদের তরফে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, ‘রাজ্য সরকারের দু’টি দফতর৷ দু’ টিই শিক্ষা দফতরের অধীনে৷ অথচ তারা পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে৷ তাই আদালত মনে করেছে যে এ ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারি কোনও সংস্থাকে তদন্তের দায়িত্ব দিলে প্রকৃত সত্য সামনে আসবে না৷ তাই সিবিআই-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে৷’

Advertisement
Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন