প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

অশনি সংকেত: গঙ্গা ও পদ্মা মিশে গেলেই মানচিত্র থেকে মুছে যাবে মুর্শিদাবাদের বহু এলাকা? 

deshersamay

Share article:

নিউ ফরাক্কা স্টেশনের কাছে ধসের জেরে ব্যাহত ট্রেন চলাচল। রেলপথে উত্তরবঙ্গের  সঙ্গে যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, আজকের মধ্যেই রেললাইনে মেরামতের কাজ শেষ হবে। কিন্তু, রেল লাইনে এই ধস আরও বড়সড় অশনি সংকেত দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিপদ লুকিয়ে রয়েছে আরও গভীরে। যা পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে তাতে যে কোনও মুহূর্তে মিশে যেতে পারে গঙ্গা ও পদ্মা। আর তা হলে একের পর এক গ্রাম নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

নিউ ফরাক্কা রেলওয়ে স্টেশন। দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গে গিয়েছে যে রেলপথ, সেখান একপাশে গঙ্গার শাখানদী আরেক পাশে মূল স্রোত। অর্থাৎ একদিকে পদ্মা আরেকদিকে ভাগীরথী বা হুগলি, যাকে গঙ্গা বলেই চেনে পশ্চিমবঙ্গ। ঘটনা হল গঙ্গার দু’টো ধারার মধ্যে দূরত্ব এই মুহূর্তে দেড় কিলোমিটার।

আশঙ্কা একটাই এখনই ভাঙন ঠেকাতে না পারলে নিউ ফরাক্কা স্টেশনের কাছে গঙ্গা-পদ্মা মিশে যাবে। তাহলে মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান, বল্লারপুরের মতো বহু এলাকা বরাবরের মতো হারিয়ে যাবে। রেল ও সড়কপথে মালদহ ও মুর্শিদাবাদের মধ্যে যোগাযোগ অনির্দিষ্টকালের জন্য ব্যাহত হতে পারে। আজ না হোক কাল রেলপথ সারিয়েও নেওয়া যাবে। কিন্তু, ভাঙন প্রতিরোধ না করতে পারলে অনেক বড় বিপদ হতে পারে।

কৌশিক চক্রবর্তী নামে এক নদী বিশেষজ্ঞ জানান, “যখন ফরাক্কা বাঁধ তৈরি হল, জল নিয়ন্ত্রণের বিষয় হল, কলকাতা বন্দরকে জল দেওয়া শুরু হল, তারপর বাংলাদেশও জলের জন্য বলতে থাকল। ১৯৯৬ সালে যখন বাংলাদেশের সঙ্গে জলচুক্তি হল, তখন থেকে সমস্যা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করল।

আমাদের আপস্ট্রিমে কোনও চড়া ছিল না। জলচুক্তির পরেই চরটা তৈরি হল। ডাউনস্ট্রিমেও জল শুকোতে শুরু করল। আর দুই-তিন বছর পর থেকে ভাঙনটা ভয়াবহ আকার ধারণ করল।”

ভাঙন ঠেকাতে না পারলে সত্যি কি গঙ্গা ও পদ্মা মিশে যেতে পারে? সত্যি কি দেড় কিলোমিটার স্থলভাগ কি বিলুপ্ত হতে পারে? ওই বিশেষজ্ঞের দাবি, পুরোটাই ধ্বংস হয়ে যাওয়ার মতো জায়গা তৈরি হবে। পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্র বদলে যেতে পারে। তাঁর কথায়, “পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্র বদলে যাওয়া মানে অর্থনীতি বদলে যাওয়া। কী ভয়ানক পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে, তা কল্পনা করা যাচ্ছে না।”

Tags: জেলা

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন