Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

Mithun Chakraborty’ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূল ৭০টা সিটও পাবে না’, কী করতে হবে, বুঝিয়ে দিলেন মিঠুন

deshersamay

Share article:

লক্ষ্য ২০২৬।  টার্গেট ভবানীপুর। মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্রে ভোটের কাজ নিয়ে ময়দানে নেমে পড়লেন দাদা মিঠুন চক্রবর্তী। দুই কলকাতার চার কেন্দ্র, শ্যমপুকুর, জোড়াসাঁকো, ভবানীপুর ও রাসবিহারীর বিজেপি নেতাদের নিয়ে বৈঠকে মিঠুন। দিদির কেন্দ্রে নিজের দলের ভোটের দায়িত্বে এবার দাদা। আজকের বৈঠক হচ্ছে শ্যামপুকুর ও জোড়াসাঁকোতে।  জোড়াসাঁকো ও শ্যামপুকুর বিধানসভার কর্মীদের বলেন, মার খাবেন না , পালটা মার দেবেন। ওয়ার্ড কর্মীদের সমস্যার কথা জানতে চান মিঠুন। প্রত্যেক কর্মীর প্রশ্নের জবাব দেওয়ার পাশাপাশি নিজের দুটি মোবাইল নাম্বার দেন কর্মীদের। বিজেপি কর্মীরা সমস্যায় পড়লে এই দুই মোবাইল নম্বরে তার সাথে যোগাযোগের কথা উল্লেখ করেন মিঠুন চক্রবর্তী।

সম্প্রতি ডায়মন্ড হারবারের সভা থেকে ছাব্বিশের ভোট নিয়ে বড় ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের দাবি ছিল, আগামী ভোটে বাংলায় বিজেপি ৫০ টা আসনও পাবে না।

এদিন ভোটার তালিকা ইস্যুতে রাজ্যের শাসকদলকে আক্রমণ শানাতে গিয়ে এ প্রসঙ্গে বড় দাবি করেছেন অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তীও। মিঠুনের দাবি, “ভোটার লিস্ট থেকে ভুয়ো ভোটার বের করে দিলে তৃণমূল ৭০টা সিটও পাবে না।”

ভিন রাজ্যে বাঙালিদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগে বিজেপি এবং কেন্দ্রের সরকারের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূল। অবিলম্বে অত্যাচার বন্ধ না হলে দেশজুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন ওই অভিযোগ উড়িয়ে মিঠুনের দাবি, “দেশের কোথাও বাঙালিদের ওপর কোনও অত্যাচার হয়নি। আসলে সামনে ভোট, তাই তৃণমূল এটাকে ইস্যু করে কাজে লাগাতে চাইছে।”

বিজেপি নেতা, অভিনেতার বক্তব্য, কোথাও কোনও বাঙালির ওপর অত্যাচার বা কোনও সত্যিকারের নাগরিককে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে না। বেছে বেছে তাদেরই বাদ দেওয়া হচ্ছে যারা বেআইনিভাবে প্রবেশ করেছিলেন।

এরপরই মিঠুন বোমা ফাটান। মিঠুনের দাবি, “বাংলার ভোটার লিস্টে এই অনুপ্রবেশের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ওরাও (তৃণমূল) জানে এদের (ভুয়ো নাগরিকদের) বেছে বেছে বার করে দিলে এরা ৭০টা সিটও পাবে না। তাই ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ হতেই তা আটকাতে তৃণমূল উঠে পড়ে লেগেছে।”

তবে তৃণমূলের এই আক্রমণের সামনে কর্মীরা যাতে মাথা নত না করেন, অনুপ্রবেশ ঠেকাতে যাতে কমিশনকে যোগ্য সাহায্য করা হয়, এ জন্য বাংলার সমস্ত নাগরিককে আহ্বান জানিয়ে মিঠুন বলেন, “প্রতিটি এলাকায় কর্মীদের বলব, খোঁজখবর শুরু করুন, কারা অনুপ্রবেশ করে বাংলায় রয়েছে। কারও ওপর কোনও আক্রমণ হলে সরাসরি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন।”এজন্য দুটি ফোন নম্বরও এদিন দেন মিঠুন। 

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন