Khuti Puja:বাংলায় একাধিক ধর্ষণের প্রতিবাদে খুঁটি পুজোয় থিম  প্রকাশে গর্জে উঠলেন বনগাঁর মতিগঞ্জ ঐক্য সম্মিলনী ক্লাব সদস্যরা: দেখুন ভিডিও

0
207
রাহুল দেবনাথ ,দেশের সময় :

বনগাঁর প্রাচীনতম বারোয়ারি পূজাগুলির মধ্যে অন্যতম মতিগঞ্জ ঐক্য সম্মিলনী ক্লাব । এ বছর  দুর্গাপূজোয় চমক দিতে তাদের ব্যতিক্রমী থিম-প্রকাশ করল বৃহস্পতিবার খুঁটি পুজো দিয়ে। 

৫৯ বছর আগে, শুরু হওয়া এই পুজো আজও বনগাঁর অন্যতম শারদ-আকর্ষণ। প্রতিবছরই এই পুজো কিছু না কিছু বিশেষ আইটেমের মাধ্যমে দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলে দেয়। 

ক্লাব কর্ণধার  দেবদাস মন্ডল বলেন,বছরে পাঁচদিনের জন্য কৈলাস থেকে উমা আসেন। তাঁকে আমরা সাদরে ফিরিয়ে আনি ঘরে, তাঁকে বরণ করি। তাঁকে পুজোও করি। 

কিন্তু আমাদেরই ঘরের তো কতশত উমা আছেন! তাঁরা আজ চরম নির্জাতনের স্বীকার । এই বাংলায় একের পর এক উমারা ধর্ষিত হচ্ছেন । তাঁরা হারিয়ে যাচ্ছেন অন্ধকারে। জীবনের হাজার আঘাতের পর তারা কিন্তু আর উমা হতে চান না। এবার পুজোয় তাঁদের ঘরে ফেরানোর গাথা লিখতেই ঐক্য সম্মিলনী ক্লাবের এবারের থিম ‘চাই না হতে উমা । দেখুন ভিডিও

ক্লাব সদস্যরা জানান,নারী নির্যাতন থেকে অবহেলা, বঞ্চনার ছবি তুলে ধরা হচ্ছে মণ্ডপ সজ্জায়। প্রতিমাতেও থাকছে প্রতিবাদ ও সচেতনতার বার্তা।

থিমের কল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্পূর্ণ টাই করছেন ক্লাব সদস্যরা। এই বছর প্রথম নয়, বিগত কয়েক বছর ধরেই সমাজের বিভিন্ন বিষয়ের উপর সচেতনতারবার্তা পুজোর মাধ্যমে তুলে ধরছেন উদ্যোক্তারা। এবারও সেই সমাজ সচেতনতার বার্তা থাকছে পুজোর থিমে।

আসন্ন দুর্গাপূজো উপলক্ষে বৃহস্পতিবার  বনগাঁর মতিগঞ্জ ঐক্য সম্মিলনী ক্লাবের খুঁটি পূজোয় উপস্থিত ছিলেন সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। এদিন খুঁটি পূজোর মঞ্চ থেকেই কড়া ভাষায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানান তিনি।

সাংসদ তথা শান্তনু ঠাকুর অভিযোগের সুরে বলেন, রাজ্য সরকার বদল হলেই তবেই ভালো হবে। অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকা থেকে নাম না কেটে, বরং বেছে বেছে মতুয়া, রাজবংশী ও নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নিজেদের ভোটব্যাঙ্ক রক্ষার জন্য রোহিঙ্গা ও অনুপ্রবেশকারীদের সুরক্ষা দিচ্ছে রাজ্য সরকার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্নীতির রাজনীতি, মানুষ বুঝে গেছে। ভোটের জন্য এখন মতুয়াদের পায়ে পড়ে থাকতে হচ্ছে, তাই ঠাকুরবাড়িকে আঁকড়ে ধরে রাখা হয়েছে। কিন্তু এতে কোনও লাভ হবে না। তিনি আরও বলেন, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে কেন্দ্রীয় সরকার জানে কীভাবে হিন্দুদের সুরক্ষা দিতে হয়, এবং তাই করছে। অনুপ্রবেশকারীদের ‘পুশব্যাক’ নয়, বরং তাদের মেরে তাড়ানো উচিত।

এদিনের খুঁটি পূজোর মঞ্চ থেকেই এক প্রকার ভোটের বাদ্যি  বাজিয়ে দিতে চাইলেন শান্তনু ঠাকুর বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা ।

Previous articleBangladesh: হুঁশ ফিরল ইউনূসের! সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক বাড়ি ভাঙার কাজ বন্ধ করল বাংলাদেশ
Next articleNarendra Modi West Bengal visitআজ বাংলায় সফরে মোদী , চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here