Kasba Law Collegeকসবা কলেজে ধর্ষণ কান্ড : ‘মমতার পাপের ঘড়া’ নিয়ে ধর্মতলায় বিক্ষোভ বিজেপির
deshersamay
কসবা কলেজের ঘটনা ফিরিয়ে এনেছে আরজি কর হাসপাতালের নৃশংস ঘটনার স্মৃতি। তাই সাধারণ মানুষ আবারও পথে নেমে প্রতিবাদ করতে শুরু করেছেন। শুধু আমজনতা নয়, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিও একে একে রাস্তায় নেমেছে।
সোমবার ডোরিনা ক্রসিং-এ জমায়েত করেছিল বিজেপি । সেখান থেকে তাঁরা বিধানসভা অভিযান করার কথা ছিল তাঁদের। মিছিল শুরুর আগেই পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান তাঁরা। প্রবল ধস্তাধস্তি হয় দুই পক্ষের। কয়েকজনকে আটকও করা হয়েছে।
বিজেপি যুব মোর্চার তরফে জমায়েত করা হয়েছিল ডোরিনা ক্রসিং-এ। সেখানে প্রতিবাদীর হাতে দেখা যায় একটি ঘড়া যাতে লেখা – ‘মমতার পাপের ঘড়া’।
গেরুয়া শিবির বলছে, আরজি কর কাণ্ডের স্মৃতি এখনও দগদগে। তার মধ্যে কসবার ল কলেজে গণধর্ষণের ঘটনা। এদিকে কালীগঞ্জেও শাসক দলের বিজয় মিছিল থেকে বোমার আঘাতে নাবালিকার মৃত্যু। আদতে মুখ্যমন্ত্রীর পাপের ঘড়া পূর্ণ হচ্ছে। আর কত খুন, ধর্ষণ হলে বাংলা শান্ত হবে – এই প্রশ্নের উত্তর চান তাঁরা। সে কারণে বিধানসভা অভিযান করে মুখ্যমন্ত্রীর থেকে জবাব চাইবেন প্রতিবাদীরা।
এই মিছিলে শুধু ঘড়া নয়, দেখা যায় প্রতীকী হ্যারিকেনও। সেটির তাৎপর্য বুঝিয়ে এক বিক্ষোভকারী বলেন, ”রাজ্যে অন্ধকার ছেয়ে গেছে। আলো নেই। মা-বোনেদের পরপর ধর্ষণ, আর মেনে নেওয়া যায় না।” ইতিমধ্যে বিগত কিছুদিন ধরে লাগাতার প্রতিবাদ হচ্ছে শহরে। অনেককে আটক বা গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। সেই নিয়ে প্রতিবাদীরা বলছেন, আসল কাজ ছাড়া পুলিশ সব করছে। যারা অন্যায়ের প্রতিবাদ করছে, তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। অথচ আসল অপরাধীরা মুক্ত।
বস্তুত, ‘গণধর্ষণের’ ঘটনার জেরে আপাতত বন্ধ রাখা হচ্ছে বলে জানিয়ে দিয়েছে সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজের গভর্নিং বডি। ২৯ তারিখ রোববার কলেজের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, “কলেজের সমস্ত বিএএলএলবি এবং এলএলএম (জেনারেল এবং অনার্স) ক্লাস স্থগিত করা হচ্ছে এবং গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত অনুসারে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কলেজ প্রাঙ্গণ সকল শিক্ষার্থীদের জন্য বন্ধ থাকবে।”
