Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

Editorial(সম্পাদকীয়)ঃ-মানুষের স্বার্থ রক্ষার লড়াই হোক

deshersamay

Share article:
আর একটা লোকসভা ভোটের মুখোমুখি এদেশের মানুষ।পরিসংখ্যান বলছে এবার এদেশে ১৭তম সাধারণ নির্বাচন হতে যাচ্ছে।এদেশের স্বাধীনতার পর পেরিয়ে গেছে প্রায় ৭১টি বছর তার মধ্যে ১৭ তম নির্বাচনের মুখে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ ভাবতেই পারেন,কী পেয়েছেন তারা একাধিক সরকার নির্বাচন করে।এখনও এ দেশের অর্দ্ধেক শতাংশ মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বাস করেন,এখনও কৃষক দারিদ্রের তাড়নায় আত্মহননের পথ বেছে নিতে বাধ্য হন।

গোটা দেশ জুড়ে বেকারির লাগামহীন বিস্তৃতি।লিঙ্গ বিভাজনের কুফল ছড়িয়ে রয়েছে দেশের সর্বত্র।মুষ্টিমেয় মানুষের হাতে অঢেল সম্পদ আর সংখ্যা গরিষ্ঠ মানুষ হতাশা আর হাহাকারকেই সঙ্গী করে দিন গুজরান করতে বাধ্য হয়।রঙবাহারি রাজনীতির মঞ্চে নানা প্রতিশ্রুতির ফানুস ওড়ানো হয়,তার পর সবাই সব ভুলে যান।সব রঙের নেতা-নেত্রীরা ব্যস্ত হয়ে ওঠেন নিজেদের ক্ষমতার রাশকে আর দৃঢ় করতে।সবাই জানেন এ দেশের রাজনীতি আসলে বিনা ইনভেস্টমেন্টের লাভজনক ব্যবসা।সেই ব্যবসার কারবারীরা যে যার মতো ফায়দা তুলতে ব্যস্ত থাকেন আর জীর্ণ থেকে আর জীর্ণ হয় সাধারণ মানুষের জীবন-যাপন।

দেশের রাজনীতির এই চেনা ছকের বাইরে এবারের এই নির্বাচন ও কোন বাড়তি মাত্রা দেবে না মেনে নিয়ে নিতান্ত অভ্যেসের বসে যারা আবার নিজেদের জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য ভোটের লাইনে গিয়ে দাঁডা়বেন,তারা বরং এবার একটু অন্য রকম ভাবে ভাবার চেষ্টা করুন,ভাবুন শুধু জনপ্রতিনিধি পাঠালে হবে না,তারা সত্যি মানুষের স্বার্থে লড়াই করছেন কিনা তাও বিচার করা শুরু করতে হবে।

যে দলের হয়ে জিতল,পরোক্ষনেই যারা দল পাল্টে অন্য দলে নাম লেখায় সেই ধান্দাবাজ-ইতর নেতাদের দলমত নির্বিশেষে ধিক্কার সহ ফিরিযে দেওযার শপথ নিন সাধারণ মানুষ।মানুষের প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ ও যারা ভোটে জিতে নিজেদের আখের গুছিয়েছেন তাদেরও হারিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিন সাধারণ মানুষ।সারদা-নারদাতে যাদের নাম জড়িয়েছে,যাদের প্রকাশ্যে হাত পেতে টাকা নিতে দেখা গেছে তাদের ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিক সাধারণ মানুষ।

কোন দল নয় ভাল মানুষ যে তাকে জনপ্রতিনিধি করুন সকলে।সাধারণ মানুষ বেরিয়ে আসুন সব দলীয় আনুগত্য থেকে।মানুষের স্বার্থ রক্ষার লড়াইতে যে থাকবেন তাকেই প্রতিনিধি বাছুন সকলে।নাগরিক সচেতন না হলে,অন্ধ দলীয় আনুগত্য থেকে মুক্ত না হতে পারলে,দলতন্ত্রের থাবা থেকে গণতন্ত্রকে উদ্ধার করা সম্ভব নয়।এবার তাই রাজনৈতিক দল গুলোকে মনে করিয়ে দেওয়া যাক মানুষের স্বার্থ রক্ষার লড়াই শুরু না করলে সমর্থন মিলবে না।তবে আবার বলা তার জন্য দরকার সচেতন নাগরিক হয়ে ওঠা,আমরা তার জন্য তৈরি তো?

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.