Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

Cyclone Jawad in West Bengal: ৪০ বছরের ব্যবধানে ডিসেম্বরের ঘূর্ণিঝড় দেখতে পারে রাজ্য,‘থ্রিবি’-র পর ‘জওয়াদ’ যার প্রভাবে বাংলায় প্রবল দুর্যোগের আশঙ্কা

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ আবহাওয়া দফতরের পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, ঠিক চার দশক আগে! ১৯৮১ সালের ডিসেম্বরের গোড়ায় বঙ্গোপসাগরে তৈরি ঘূর্ণিঝড় ‘থ্রিবি’ হানা দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গে। ৪০ বছর পর আসতে পারে আর এক ঘূর্ণিঝড়, ‘জওয়াদ’।

উল্লেখ্য,১৯৮১-র ৫ ডিসেম্বর ৬০ মাইল (প্রায় ৯৬ কিলোমিটার) গতিবেগে ধেয়ে আসা ‘থ্রিবি’ আঘাত হেনেছিল পশ্চিমবঙ্গ সহ বাংলাদেশেও। স্থলভাগে আছড়ে পড়ার পর এক সময় তার গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৫ মাইলের (১৩৬ কিলোমিটার) কাছাকাছি হয়ে গিয়েছিল। দুই বাংলা মিলে সে বার প্রাণ হারিয়েছিলেন প্রায় ২০০ জন।

এ বার ‘জওয়াদ’ পশ্চিমবঙ্গের স্থলভাগে হানা দেবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অভিমুখ বদলে তা ওড়িশার দিকে চলে যেতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে প্রায় ১৩০ বছর পরে ওড়িশা উপকূলে ঘূর্ণিঝড়ের আবির্ভাব হবে বলে আবহাওয়া দফতরের পরিসংখ্যান জানাচ্ছে।

আবহবিদদের অনেকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে বঙ্গোপসাগরে ‘মাদি’ নামে একটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়েছিল। সে উপকূলের কাছে এসে বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরের ধাক্কায় সমুদ্রে ফিরে বিলীন হয়ে যায়। ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এমন ভাবে বাঁক নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ ছুঁয়ে বয়ে গিয়েছিল ওড়িশার দিকে। ২০১৯ সালে পথ বদল করেছিল ‘ফণী’ও।

শনিবার দুপুরে পুরী ছুঁয়ে বাংলার দিকে এগিয়ে আসবে ‘‌জাওয়াদ’‌। ততক্ষণে অবশ্য শক্তি হারিয়ে নিম্নচাপে পরিণত হবে সেটি। তারপর সুন্দরবনের ওপর দিয়ে বাংলাদেশের দিকে চলে যাবে। তার ফলে দুর্যোগের সম্ভাবনা খানিকটা কমলেও পুরোপুরি তা এড়ানো যাবে না। ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছেই। আজ সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। উপকূলবর্তী এলাকায় ইতিমধ্যেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কলকাতাতেও দু-‌এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। দুই জেলায় এদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে দুই ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া এবং হুগলিতে। এই জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার বৃষ্টির পরিমাণ আরও খানিকটা বাড়বে। কলকাতায় আগমিকাল কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে রাজধানী কলকাতা-সহ দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া ও হুগলিতে। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, দুই বর্ধমান এবং বীরভূমে। এরই পাশাপাশি সোমবারও দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

আজ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। রবিবার হাওয়ার দাপট আরও কিছুটা বাড়বে। ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। দিঘা, কাঁথি-‌সহ বিভিন্ন উপকূলবর্তী এলাকায় চলছে মাইকিং। রাজ্যের ১২টি জেলায় মোতায়েন করা হয়েছে এনডিআরএফ-‌এর টিম। বিদ্যুৎ ভবনে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুমের যোগাযোগ নম্বর ৮৯০০৭৯৩৫০৩ ও ৮৯০০৭৯৩৫০৪। বৃষ্টির জেরে জল জমারও আশঙ্কা করা হয়েছে। সেই জন্য অতিরিক্ত পাম্পেরও বন্দোবস্ত করা হয়েছে পুরসভার তরফে।

Advertisement
Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন