প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা •‘সরকার সরাসরি ধান কিনবে কৃষকদের থেকে’, চাষিদের পাশে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

Child Marriage: বাগদায় নাবালিকার বিয়ে রুখল প্রশাসন

deshersamay

Share article:

দেশের সময়, বাগদা: বাড়ি ভর্তি আত্মীয়-স্বজন, বিয়ের জন্য বাড়িতেই করা হয়েছিল প্যান্ডেলও। সকাল থেকে চলছিল গায়ে হলুদের আয়োজন। তারই মধ্যে কয়েকজনকে ঢুকতে দেখে চমকে যান অতিথিরা। প্যান্ডেল পেরিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করেই তাঁরা প্রশ্ন করেন, পাত্রীর বয়স কত? পরিবারের তরফ থেকে জানানো হয়, বয়স ১৮ পেরোয়নি। সঙ্গে সঙ্গে আটকে দেওয়া হয় বিয়ে। উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার ঘটনা। সঠিক বয়স হলে অর্থাৎ সাবালিকা হলে তবেই যাতে বিয়ে দেওয়া যায়। এই মর্মে মুচলেকা দিতে হয়েছে পরিবারের তরফ থেকে।

পাত্রীর বাড়ি বাগদার হেলেঞ্চা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ও পাত্রের বাড়ি বনগাঁয়। বিয়ের আর মাত্র কয়েক ঘণ্টাই বাকি ছিল। তার আগে শুক্রবার দুপুরেই সেখানে পৌঁছে যান পুলিশকর্মী ও প্রশাসনিক কর্তারা। পাত্রীর বয়স কত হয়েছে, তা জানতে চাইলে পাত্রীর বাড়ির সদস্যরাই জানান বয়স এখনও ১৮ হয়নি। তাহলে কেন বিবাহের আয়োজন? পরিবারের সদস্যরা জানান, না বুঝেই তাঁরা নাকি মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন।

কন্যাশ্রী প্রকল্প নিয়ে কর্মরত কর্মীরা ও প্রশাসনিক কর্তারা পরিবারের সদস্যদের বুঝিয়ে বলেন ১৮ বছরের নীচের কন্যাকে বিয়ে দেওয়া অপরাধ। পরবর্তীতে নাবালিকার বাবা এবং মা মুচলেকা দিয়ে জানান, ১৮ বছর না পূর্ণ হলে বিয়ে দেওয়া যাবে না। এরপর বন্ধ হয়ে যায় নাবালিকার বিয়ে। নাবালিকার বাবা জানান, তিনি আইনের ব্যাপারে কিছু জানতেন না। তিনি জানতেন ১৫ বছর বয়স হলেই বিয়ে দেওয়া যায়।

এই বিষয়ে বাগদা ব্লক প্রশাসনের আধিকারিক তাপস বিশ্বাস জানান তাঁদের কাছে খবর ছিল নাবালিকার বিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই মতো পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন তাঁরা। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য অনুপ হালদার জানান, গ্রামের মানুষ না বুঝতে পেরে বিয়ের ব্যবস্থা করেছিল। পরবর্তীতে ভুল স্বীকার করে মুচলেকা দিয়ে বিয়ে বন্ধ করেছে।

Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন