Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

বিশ্বের বৃহত্তম দই কারখানার ভূমিপুজো দিয়ে আমূল এল পশ্চিমবঙ্গে! শুভেন্দুর নিশানায় মমতার গুজরাত-মন্তব্য, বিঁধলেন শাহও

deshersamay

Share article:

হাওড়ার সাঁকরাইল ফুড পার্কে বিশ্বের বৃহত্তম দই প্রস্তুতকারী কারখানার শিলান্যাস হল। রবিবার নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টার থেকে ভার্চুয়ালি আমূলের এই মেগা প্রকল্পের শিলান্যাস কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে নাম না করেই দু’জনেই নিশানা করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

তাঁর ‘বাংলাকে গুজরাত হতে দেব না’ মন্তব্য তুলে কটাক্ষ করেন শাহ ও শুভেন্দু। মমতার নাম না-করে প্রথমে শুভেন্দু বলেন, ‘‘কারা যেন বলত, বাংলাকে গুজরাত হতে দেব না! তাঁরা আজ ঘরে বসে টিভিতে দেখছেন, আমূল আজ ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে পশ্চিমবঙ্গের উন্নতির জন্য।’’

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমূল আজ দেশের সবচেয়ে বড় দই উৎপাদন প্রকল্পের শিলান্যাস করল। ১০ লাখ লিটার দুধ প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে দই উৎপাদন করা হবে। এর ফলে ছোট ছোট দুগ্ধ উৎপাদনকারীরা উপকৃত হবেন। আমি মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছিলাম, দু’টি ১৫ একর করে জায়গা দিন, তা হলে সারা পূর্ব ভারতের দুধ উৎপাদনের ব্যবস্থা এখান থেকেই হবে।’’ এর পরেই তিনি বলেন, ‘‘একসময় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলে বলা হত, গুজরাতকে আমরা ঢুকতে দেব না। আরে ভাই, এটা গুজরাতের জন্য নয়, বাংলার পশুপালকদের জন্য জরুরি। সরকারের পরিবর্তন দেখুন— আমি গাড়িতে যেতে যেতে মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছি জমি দেওয়ার কথা, তিনি সঙ্গে সঙ্গেই নিঃশুল্কে আমূল ফেডারেশনকে জমি দিয়েছেন। এর ফলে দুই থেকে আড়াই লক্ষ দুগ্ধ উৎপাদক বেশি টাকা উপার্জনের সুযোগ পাবেন।’’ শাহ জানান, আগামী দিনে কেন্দ্রীয় সরকার প্রাণিসম্পদ বিকাশ মন্ত্রককে কাজে লাগিয়ে এ রাজ্যে পশুপালন ক্ষেত্রেও নজর দেবে, যাতে বিকল্প কর্মসংস্থান গতি পায়।

প্রসঙ্গত, গুজরাত কো-অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশনের অন্তর্গত আমূল প্রায় ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে হাওড়ার সাঁকরাইল ফুড পার্কে বিশ্বের বৃহত্তম দই উৎপাদন কারখানা গড়ে তুলতে চলেছে। সেখানে প্রতিদিন গড়ে ৩০ লক্ষ লিটার দুধ প্রক্রিয়াকরণ করা সম্ভব হবে। এর পাশাপাশি দৈনিক ১০ লক্ষ কিলোগ্রাম দই এবং বিপুল পরিমাণ অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদিত হবে।

ভার্চুয়ালি শিলান্যাস কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়, অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, সমবায়মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যও। রাজ্য সরকার মনে করছে, নতুন এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিল্পোন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে। শ্যাম স্টিলের সম্প্রসারণ প্রকল্পের দু’দিন পর আমূলের এই কারখানার শিলান্যাস একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেছে সরকার। সম্প্রতি টোডি গোষ্ঠীও হোসিয়ারি কারখানার একটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের শিলান্যাস করেছে।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন