প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

‘আমার ছেলে যেন বিচার পায়’, বনগাঁ আদালতে গিয়ে সাক্ষ্য দিলেন বরুণের বাবা

deshersamay

Share article:

থরথর করে কাঁপছেন। বৃদ্ধকে ধরে রাখতে হয়েছে দু-তিন জন মিলে। বয়সের ভারে শরীর কিছুটা নুইয়ে পড়েছে। আদালত থেকে বের হতেই ছেঁকে ধরলেন সাংবাদিকরা। একের পর এক প্রশ্ন। সব প্রশ্নই শুনলেন মন দিয়ে। শেষে কাঁপা কাঁপা গলায় একটাই উত্তর দিলেন দৃঢ় কণ্ঠে।

বৃদ্ধ বললেন, ‘আমার ছেলেকে যারা হত্যা করেছে, তাদের যেন শাস্তি হয়। আমার ছেলে যেন বিচার পায়।’ ছেলের নাম বরুণ বিশ্বাস। রাজ্যের এক প্রতিবাদী কণ্ঠ ছিলেন তাঁর ছেলে। খুনের মামলার সাক্ষী দিতে সোমবার বনগাঁ ট্র্যাক-১ আদালতে হাজির হয়েছিলেন বরুণের বাবা ৯২ বছর বয়সি জগদীশ বিশ্বাস।

বনগাঁ ট্র্যাক-১ আদালতে বিচারক দুর্গাশঙ্কর রানার এজলাসে এ দিন মামলার শুনানি হয়। সাক্ষ্য দেওয়ার সময়ে আবেগপ্রবণ হয়ে কেঁদে ফেলেন বৃদ্ধ জগদীশ বিশ্বাস। তাঁর অভিযোগ, ঘটনার পরে তৎকালীন পুলিশ ও সিআইডি তাঁকে কোনও সহযোগিতা করেনি। এমনকি তাঁকে নিজের কথা বলতেও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। মামলায় ৩৮ নম্বর সাক্ষী ছিলেন জগদীশ বিশ্বাস।

২০১২ সালের ৫ জুলাই গোবরডাঙা স্টেশনের কাছে কয়েকজন দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হয় বরুণের। সুটিয়া এলাকায় একের পর এক নারী নির্যাতন ও গণধর্ষণের ঘটনার বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন বরুণ। স্থানীয়দের বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে নাগরিক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন তিনি। পরিবারের দাবি, সেই কারণেই তাঁকে খুন হতে হয়েছিল।

সম্প্রতি বরুণের পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে নতুন করে ওই হত্যাকাণ্ডের কেস ফাইল খোলা হয়েছে। থানায় নতুন করে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বরুণের পরিবারের দাবি, সকল অভিযুক্ত এখনও ধরা পড়েননি। এই ঘটনায় রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নামেও অভিযোগ তোলা হয়েছে বরুণের পরিবারের তরফে।

Tags: জেলা

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন