প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

Suvendu Adhikari: ‘বড় চোরও জেলে যাবে’, নন্দীগ্রামের মঞ্চ থেকে কাকে ইঙ্গিত করলেন শুভেন্দু?

deshersamay

Share article:

‘বড় চোরও জেলে যাবে।’ নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার প্রচারের মঞ্চ থেকে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ দাগেন তিনি। এরপরই সুমিত রায়ের জেল যাত্রার প্রসঙ্গ টেনে এনে ওই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর ওই মন্তব্যের পর থেকেই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে। প্রশ্ন উঠছে, বড় চোর কে , কাকে ইঙ্গিত করলেন শুভেন্দু অধিকারী?

অভিষেকের পিএ সুমিত রায়ের জেল যাত্রার প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, “সুমিত রায় জেলে। বড় চোরও জেলে যাবে। এতটুকু বিচলিত হবেন না।”

বৃহস্পতিবার রেজিনগরে জনসভা করার পর দিনই, শুক্রবার নিজের ছেড়ে আসা খাসতালুক নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনী প্রচার সারলেন। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের  সমর্থনে বিরুলিয়ার জনসভা থেকে তৃণমূলের রাজনৈতিক অবশেষটুকুও মুছে ফেলার হুঙ্কার দিলেন তিনি। চড়া সুরে বার্তা দিয়ে শুভেন্দু জানান, তৃণমূলের পাপের ঘড়া পূর্ণ হয়েছে। তাই আগামী ৬ অক্টোবরের উপনির্বাচনে এমনভাবে রায় দিতে হবে, যাতে এই ‘ছিন্নমূল’ শিবিরের এক জনেরও জামানত বাঁচানো সম্ভব না হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম— দুই কেন্দ্র থেকেই বিজেপির টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল জয় পেয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরবর্তীতে সাংবিধানিক নিয়ম মেনে ভবানীপুর আসনটি নিজের কাছে রেখে নন্দীগ্রাম থেকে ইস্তফা দেন তিনি। সেই শূন্য আসনেই বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন তাঁরই প্রয়াত আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথ ।

এ দিন দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারমঞ্চে দাঁড়িয়ে জয়ের স্মৃতি উস্কে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নন্দীগ্রামের জয়ের সার্টিফিকেট নেওয়ার দিনই বলেছিলাম, এ রাজ্যে তৃণমূলের নাম-নিশান থাকবে না। পিসি-ভাইপোর শুকনো ঘাস কিংবা জোড়াফুল— কোনওটারই আর আজ অস্তিত্ব নেই। ইভিএমে অনেক গোলমাল করার চেষ্টা করেছিল চোরামূলের লোকজন, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের জনগণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলকে চূড়ান্ত ভাবে বিতাড়িত করেছে।”

এ দিনের সভা থেকে দুর্নীতি দমন ও রাজ্যজুড়ে চলা আইনি পদক্ষেপের খতিয়ান দিতে গিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। দুর্নীতিবাজদের একের পর এক শ্রীঘরে পাঠানোর হুঁশিয়ারি দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “সুমিত রায়রা ইতিমধ্যেই জেলে গেছে, এ বার আসল ‘বড় চোর’-ও জেলে যাবে!” তৃণমূলের এই আমূল দুর্নীতির মুচমুচে জবাব দিতে নন্দীগ্রামের ভোটারদের কাছে বড় ব্যবধানে বিজেপি প্রার্থীকে জয়ী করার আর্জি জানান তিনি।

বক্তব্যের শেষে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ক হিসেবে কাজ করার ‘অপরাধে’ চন্দ্রনাথ রথকে প্রাণ হারাতে হয়েছিল। সেই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে আগামী ৬ তারিখের ভোটকে চন্দ্রনাথের আত্মত্যাগের ‘গণতান্ত্রিক বদলা’ হিসেবে চিহ্নিত করে শুভেন্দু বলেন, “আমার সহকারী হওয়ার মূল্য তাকে প্রাণ দিয়ে মেটাতে হয়েছে। আগামী ৬ তারিখ সেই নির্মম অন্যায়ের জবাব দেওয়ার দায়িত্ব নন্দীগ্রামের প্রতিটি বিচারপ্রিয় মানুষের।”

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন