প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•দুর্গাপুজোর পাস নিয়ে দুর্নীতি! প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বাড়িতে ইডি , তল্লাশি শহরের মোট ১০ ঠিকানায় •গ্রেফতার বনগাঁর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস ,বেআইনি অস্ত্র রাখার অভিযোগ : দেখুন ভিডিও •‘যাঁদের বিরুদ্ধে লড়াই, সেই বামেরাই বন্ধু মমতার’, সিপিআইএম-এর সঙ্গে হাত মেলাতেই কটাক্ষ শুভেন্দুর •‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি

দুর্গাপুজোর পাস নিয়ে দুর্নীতি! প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বাড়িতে ইডি , তল্লাশি শহরের মোট ১০ ঠিকানায়

deshersamay

Share article:

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের  বাড়িতে তল্লাশি ইডির । UNESCO-র নাম ভাঙিয়ে দুর্গাপুজোর টিকিট চড়া দামে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে, সেই মামলার তদন্তেই এদিন অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

মঙ্গলবার সাতসকালে শহরের ১০টি ঠিকানায় হানা দেয় ইডির একাধিক দল। তার মধ্যে রয়েছে তৃণমূল আমলের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের  কসবার বাড়ি, তাঁর আত্মীয়ের বাড়ি এবং  হাইল্যান্ড পার্কের এক ইভেন্ট ম্যানেজারের বাড়ি। প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ি ঘিরে ফেলেছে কেন্দ্রীয় জওয়ানরা। তবে তিনি এই মুহূর্তে বাড়িতে আছেন কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

ইডির দাবি, বাংলার দুর্গাপুজো ২০২১ সালে ইউনেস্কোর হেরিটেজ স্বীকৃতি পাওয়ার পরই শুরু হয়েছিল অন্য এক খেলা। সেই বিশ্বমানের আন্তর্জাতিক সংস্থার নাম অপব্যবহার করে প্রি-পূজা ও প্রিভিউ শোয়ের চড়া দামের টিকিট বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ওঠে  রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ, ইউনেস্কোর হেরিটেজ পাওয়ার ঠিক এক বছর পরেই (২০২২ নাগাদ) একটি বিশেষ সংস্থা গড়ে তোলা হয়, যার নেপথ্যে ছিলেন মন্ত্রীর স্ত্রী মধুছন্দা সেন। সংস্থাটির কাজ ছিল দুর্গাপুজো শুরু হওয়ার আগেই দর্শনার্থীদের বিশেষ ‘প্রি-পূজা টিকিট’ বিক্রি করা। কলকাতার নামজাদা প্রায় ২৪টি পুজোকে বেছে নিয়ে একটি মিউজিয়াম বা প্রদর্শনীতে তাদের থিম ও শিল্পকর্ম দেখানো হত। সংস্থাটি দাবি করত, এই উদ্যোগ ইউনেস্কোর সঙ্গে যৌথভাবে নেওয়া হয়েছে।

তবে বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। অভিযোগকারীর দাবি, ইউনেস্কো কোনওদিনই এই বাণিজ্যিক উদ্যোগ বা প্রদর্শনীর সঙ্গে যুক্ত ছিল না। ইউনেস্কোর নাম ভাঁড়িয়ে ভুয়ো আন্তর্জাতিক তকমা দিয়ে সাধারণ মানুষ ও পর্যটকদের কাছে বিপুল দামে এই টিকিট বিক্রি করা হত। ইতিমধ্যেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, গত তিন বছর ধরে এই টিকিট বিক্রির মাধ্যমে তিন থেকে পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে। যে পুজোগুলোকে এই প্রদর্শনীতে বাছা হত, নিয়ম করে কেবল তারাই বড় বড় স্পনসর এবং পুরস্কার পেত। টিকিট বিক্রি ও স্পনসরশিপের বিপুল কোটি টাকার সামান্য একটু অংশ পেত পুজো ক্লাবগুলো, আর সিংহভাগ টাকাই চলে যেত ইন্দ্রনীল সেন ও তাঁর স্ত্রীর পকেটে। এতদিন ভীতি ও প্রভাবশালী চাপের কারণে মুখ খুলতে না পারলেও, এবার আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানান অভিযোগকারী।

যদিও এই সমস্ত দুর্নীতির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে দাবি করেছেন প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর বিরুদ্ধে দুটি এফআইআর হয়েছিল। তবে দুর্নীতির অঙ্ক বিপুল হওয়ায় ইসিআইআর করে তদন্ত শুরু করে ইডি। প্রাক্তন মন্ত্রীর সংস্থার নামে যদি টাকা তোলা হয়, তবে তা কোথায় ব্যবহার করা হয়েছে, কীভাবে টাকার লেনদেন হত, এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এদিন শহরের একাধিক ঠিকানায় হানা দেয় তদন্তকারীরা।  

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন