প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা •‘সরকার সরাসরি ধান কিনবে কৃষকদের থেকে’, চাষিদের পাশে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে

deshersamay

Share article:

ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর প্রথমবার জেলা সফরে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস হারেনি, ‘জোর করে হারানো হয়েছে’। এমনটাই দাবি করলেন মমতা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। SIR করে প্রায় ৯০ লক্ষ নাম বাদ দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারানো হয়েছে বলে দাবি তাঁর। শনিবার শ্রীরামপুরের কোর্টের মাঠে জনসভায় হাজির ছিলেন মমতা। নতুন সরকারের আমলে হকার উচ্ছেদ থেকে শুরু করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে অশান্তি— একাধিক বিষয়ে সরব হন তিনি।

হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই শনিবার শ্রীরামপুরে শর্তসাপেক্ষে সভার প্রস্তুতি শুরু করে কালীঘাট তৃণমূল । কিন্তু এদিন সভায় যাওয়ার আগে থেকেই একের পর এক বাধার মুখে পড়তে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগের আঙুল বিজেপি ও পুলিশের দিকে। তব পরিস্থিতি সামলে বিকেল ৪.৩০টে নাগাদ সভায় গিয়ে পৌছন তিনি। এসআইআর  এবং জ্ঞানেশ কুমার  ইস্যু-সহ একাধিক বিষয়ে সুর চড়ান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। 

সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বলেন, “আমি আসার আগে শুনছিলাম উত্তরপাড়া জ্যাম করে রেখে দিয়েছেন, জিটি রোড জ্যাম। কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আমাদের বিধায়ক কুণাল ঘোষের গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছে।” তাঁর আরও অভিযোগ, “পুলিশ শুক্রবার রাতে সকলের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বলছে, ড্রোন দিয়ে ছবি তুলবে, যাঁদের সভায় যেতে দেখা যাবে, রাতে গ্রেফতার হবে।” 

পুলিশের উদ্দেশে তৃণমূল নেত্রীর প্রশ্ন, “আপনারা আইনের রক্ষক, কেন ভক্ষক হবেন? যখন আপনি ফাঁসবেন, বিজেপিদের পাবেন না, আপনার পরিবার বিপদে পড়বে।”
মমতার অভিযোগ,’হানিমুন পিরিয়ড নয়, গুন্ডা দের পিরিয়ড, মানিমুন পিরিয়ড, আমাকে বাড়ি থেকে বেরোতে দেয় না। কল্যাণের জন্য বিচারপতির নির্দেশ আজকে সভা করছি।’

মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্য সরকারকে নিশানা করে অভিযোগের সুর চড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, গরিব হকারদের কাজ কেড়ে নিয়ে লক্ষাধিক মানুষকে বেকার করা হয়েছে। হকারদের হয়ে আইনি লড়াই করার কথাও জানান তিনি। তাঁর অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং বিজেপি এই ‘অত্যাচারের’ জবাব পাবে।
অন্নপূর্ণার নামে বাংলার মহিলাদের ঠকিয়েছে বলে তোপ মমতার। তাঁর কথায়, “ভোটের আগে কাউকে বলেনি।

তখন সবাইকে দিয়ে ফর্ম ফিলাপ করিয়েছে। এখন কোটি কোটি নাম বাদ। আমরা প্রতি মাসে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সব মা-বোনেদের দিতাম। ১৮ বছর বয়স থেকে সারাজীবন।’
জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক নিয়ে এদিন সুর চড়ালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। জানান, “এসআইএর নাম করে ৯৩ লক্ষ লোকের নাম বাদ দিয়েছে। আমরাই প্রথম প্রশ্ন তুলেছিলাম, সীমা খান্নাকে নিয়ে। এআই ব্যবহার করে নাম ডিলিট করা হয়েছে। ৭০ লাখ নাম বাদ দিয়েছিল, আমরাই আদালতে কেস করে ৩২ লাখ তুলেছিলাম।”

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানায় এনে মমতার কটাক্ষ, ‘আমিই প্রথম নাম দিয়েছিলাম, ভ্যানিশ কুমার, কেন দিয়েছিলাম সবার নাম ভ্যানিশ করে দিয়েছে। তৃণমূল নেত্রী ফের একবার অভিযোগ করেন, ইভিএম হাইজ্যাক থেকে মিডিয়াকে টাকা দিয়ে মিথ্যা খবর ছড়ানো- সবই ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসবে। বিহার, বাংলা, হরিয়ানাতেও একই ঘটনা ঘটেছে। ভ্যানিশ কুমারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

মানুষের ভোট কেড়ে নেওয়ার অধিকার কারও নেই। যাঁরা ‘নারদ’ নিয়ে সরব, তাঁরাও একদিন গারদে যাবেন।
SIR-এ বাংলা পথ দেখিয়েছে, ভ্যানিশ কুমার ওয়াশিং মেশিনের নাম বাংলা প্রথম বলেছে। সীমা খান্নার AI এর নাম বাংলা প্রথম সামনে এনেছে।

মমতার পরামর্শ, ‘ভ্যানিশ কুমারের বিদায়ের দাবিতে বিদায়ী ঘণ্টা বাজান। পুলিশ বাধা দিলে বাড়িতেই কাসর ঘণ্টা বাজান মা-বোনেরা।’

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই ইস্যুতে যে দল সমর্থন করবে, তাদের পাশে থাকব। দলীয় রং দেখব না। সবাইকে বলছি, গ্রেফতারের জন্য প্রস্তুত থাকুন। ভয় কাটিয়ে মুখ খুলুন, কথা বলুন, একজোট হন। যে STF বা CID-কে আগে দেখা যেত না, তারাই এখন বড় বড় কথা বলছে।

উপনির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে গ্রেফতারি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, “ওঁকে কেন গ্রেফতার করা হল, ভূমি আন্দোলনের সঙ্গে আমিও যুক্ত ছিলাম। আমার সমর্থন আছে কংগ্রেস প্রার্থীর সঙ্গে।” 

ইতিমধ্যেই, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সরব হয়েছে দেশের অন্যান্য বিরোধী দলগুলিও। সেই বিষয়ে আগামী দিনে বিজেপি বিরোধী সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি এক হয়ে লড়াই করার ডাক দিয়েছেন মমতা। এই বিষয়ে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ইন্ডি জোটের বৈঠকে তিনি যোগ দিচ্ছেন বলেও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Tags: জেলা

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন