প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

‘তৃণমূল কারও বাবার সম্পত্তি নয়, ‘মমতা যা বলবেন তাই সই’ চলে না: প্রতীক-সংঘাত সমাধানে কমিশনের বৈঠকের পর মন্তব্য ঋতব্রতর

deshersamay

Share article:

আসল তৃণমূল কংগ্রেস  কারা এবং জোড়াফুল প্রতীক শেষ পর্যন্ত কার দখলে থাকবে— সেই বহুপ্রতীক্ষিত আইনি ও রাজনৈতিক বিরোধের নিষ্পত্তিতে শনিবার নির্বাচন কমিশনে গেল ঋতব্রত তৃণমূল । নির্বাচন কমিশনের তলব পেয়ে রাজধানীর ‘ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট’-এ হাজির হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ
প্রতিনিধিরা। কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে দীর্ঘ এক ঘণ্টা ২০ মিনিটের বৈঠক শেষে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দলের একনায়কতন্ত্র ও পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে চাঁচাছোলা মন্তব্য করেন ঋতব্রত।

কমিশনের যাবতীয় তথ্যানুসন্ধানের বিপরীতে শক্তপোক্ত নথিপত্র জমা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে ঋতব্রত বলেন, ‘‘আমরা নির্বাচন কমিশনকে যা যা কোয়েরি ছিল সবটারই উত্তর দিয়েছি। অবশ্যই ভেতরে কী কথা হয়েছে তা প্রকাশ্যে বলার সুযোগ নেই। কিন্তু একটা কথা বলতে পারি— ‘না খাতা না বহি, জো ডক্টর মমতা ব্যানার্জি কহে ওহি সহি’— এটা গণতান্ত্রিক প্রসেসে চলতে পারে না। তৃণমূল কংগ্রেস একটা পরিবারভিত্তিক পার্টি নয়, কারুর বাপের সম্পত্তি নয়, ব্যক্তিগত মালিকানা নেই এ পার্টির। এই পার্টি তৃণমূল স্তরের কর্মীদের পার্টি।’’

স্বৈরাচারী মর্জির বদলে সাংবিধানিক তথ্যের ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, সকালে ঘুম থেকে উঠে সূর্যের অবস্থান ঠিক করার মতো খামখেয়ালি রাজনীতি বাংলায় আর চলবে না। উপনির্বাচনের প্রেক্ষাপটে সিদ্ধান্তের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তাঁর বক্তব্য, ‘‘আমরা আশাবাদী। আমরা অনুরোধ করেছি যেহেতু আজকে ১২ তারিখ এবং ১৬ তারিখ মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন, তাই কমিশন যেন দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়। বিকল্প প্রতীকের কোনও বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়নি। পাহাড় থেকে সাগর পর্যন্ত সাংগঠনিক মেজোরিটিও আমাদের। আমি গণৎকার নই, আর ডক্টর মমতা ব্যানার্জিতেও বিশ্বাসী নই, আমি আইনস্টাইনে বিশ্বাসী।’’

প্রতিপক্ষ শিবিরের বর্ষীয়ান আইনি প্রতিনিধি ‘আইনজীবী ব্যানার্জি’-কে নিশানা করে প্রশাসনিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেন ঋতব্রত। ২০১১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিগত সরকারের জমানায় রাজ্যকোষাগার থেকে উক্ত পরিবারকে কত টাকা দেওয়া হয়েছে, তার শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি তুলবেন বলে জানান তিনি। ঋতব্রতের স্পষ্ট কথা, ‘‘আইনজীবী ব্যানার্জি তো আর প্রধান নির্বাচন কমিশনার হননি! আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি রাজ্যে ফিরে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি লিখব— ২০১১ থেকে ২০২৬ অবধি আইনজীবী ব্যানার্জি, তাঁর পুত্র, কন্যা ও জামাতারা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হয়ে কত টাকার মামলা লড়েছেন এবং কত ফিস নিয়েছেন, তা জানতে চাইব।’’

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন