প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

CJP-র ,তিন দাবিই মানল মোদী সরকার ,আপাতত আন্দোলন প্রত্যাহার, ৪ সপ্তাহ পর ফের আলোচনা কেন্দ্রের সঙ্গে

deshersamay

Share article:

কেন্দ্রীয় সরকার সব দাবি মেনে নিয়েছে। তাই দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে ধর্না কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিল ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পরে সিজেপি নেতৃত্ব বিক্ষোভ প্রত্যাহারের কথা বলেন। পাশাপাশি যন্তর মন্তর থেকে আন্দোলনকারীদের এ বার বাড়ি ফিরে যাওয়ারও বার্তা দেওয়া হয়। 

আন্দোলনের চাপের মুখে পড়ে শনিবার দুপুরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দেন। তার পরেই সিজেপি নেতৃত্ব জানিয়ে দেন, তাঁদের বাকি দু’টি দাবিও সরকারকে মানতে হবে। তা হলো— এক, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়ার মামলা প্রত্যাহার করতে হবে এবং ভবিষ্যতে তাঁদের বিরুদ্ধে যাতে কোনও আইনি পদক্ষেপ না হয়, তার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। দুই, নিটের প্রশ্ন ফাঁসের কারণে পরীক্ষা বাতিল হওয়ার পরে যে ক’জন পড়ুয়া আত্মহত্যা করেছেন, তাঁদের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। শনিবার বিকেল এই দাবিকে সামনে রেখেই কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন সিজেপি নেতৃত্ব।

সেই বৈঠকে পরেই সিজেপি জানিয়ে দেয়, কেন্দ্র তাদের দাবি মেনে নিয়েছে। তারা কথা দিয়েছে, যে সব বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা হবে। তাঁদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কোনও পদক্ষেপ করা হবে না। আর নিয়ম মেনে আত্মঘাতী হওয়া পড়ুয়াদের পরিবারকে সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণই দেওয়া হবে।

আন্দোলন প্রত্যাহার করা হলেও কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনা এখনই পুরোপুরি বন্ধ করে দেবেন না সিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা জানিয়েছেন, চার সপ্তাহ পরে আবার তাঁরা কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তবে দাবি আদায় হওয়ায় যন্তর মন্তর থেকে ধর্না প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিজেপি। কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠকের পরে সংগঠনের নেতা সৌরভ দাস বলেন, ‘সরকার আমাদের দাবি মেনে নিয়েছে। তাই সকল আন্দোলনকারীর কাছে আমাদের অনুরোধ, আপনারা এ বার বাড়ি ফিরে যান।’ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাড্ডাও বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মই দেশের আসল শক্তি। পড়ুদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ হবে না।’ 

প্রসঙ্গত, ধর্মেন্দ্রর ইস্তফার পর থেকেই আন্দোলনকারীদের যন্তর মন্তর খালি করে দেওয়ার জন্য বলতে শুরু করে দিল্লি পুলিশ। মাইকিংও করা হয়।

শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পরই যন্তর মন্তরে সহযোদ্ধাদের নিয়ে উল্লাসে ফেটে পড়ে অভিজিৎ বলেন, “তারা বলত এই সরকারে নাকি পদত্যাগ হয় না। আমরা বলতে চাই, দুনিয়া ঝুঁকে যায়, শুধু ঝোঁকানোর মতো মানুষ চাই!”
উল্লেখ্য, এদিন দু’পাতার খোলা চিঠিতে ধর্মেন্দ্র প্রধান জানিয়েছেন, এটি তাঁর ব্যক্তিগত প্রতিপত্তির কোনও বিষয় নয়। আন্দোলনকে হাতিয়ার করে কোনও রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি যাতে ফায়দা তুলতে না পারে এবং পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ আইনি জটিলতায় নষ্ট না হয়, সেই কথা ভেবেই তিনি মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

Tags: দেশ

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন