জঙ্গি কার্যকলাপে বাগদা সীমান্তে ED-র হানা, গুরুতর অভিযোগ উঠে এল এবার..
deshersamay

মানব পাচার ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরির চক্রের তদন্তে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার গাঙ্গুলিয়ায় বিক্রম রায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। সঙ্গে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে ইডি পৌঁছনোর আগেই বিক্রম পালিয়ে যায় বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে মানব পাচারের অভিযোগে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের জঙ্গিদমন শাখা তাকে গ্রেফতার করেছিল। বর্তমানে সে জামিনে মুক্ত ছিল।

জঙ্গি কার্যকলাপে অর্থ জোগানের অভিযোগে একযোগে অভিযান ইডির। চলল উত্তরপ্রদেশ ATS-এর তল্লাশি। অবৈধ পাচারের অভিযোগেও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ওল্লাশি চালাল এই সংস্থা। বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের ভারতে এনে অর্থের বিনিময়ে ভারতীয় নথি পাইয়ে দেওয়া চক্রের বিরুদ্ধে জারি রয়েছে তদন্ত। কোটি কোটি টাকা আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী বেশ কিছু জেলায়, উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদ, বাগদা, বসিরহাটে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা। বিদেশ থেকে ফান্ড জোগাড় করে, তা জঙ্গি কার্যকলাপে ব্যবহারের অভিযোগ পেয়ে, মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গাতেও চলছেএই চলছে তল্লাশি।

পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা এবং মহারাষ্ট্রেও চলছে তল্লাশি অভিযান।

অন্য দিকে, স্বরূপনগর সীমান্তের কালিকাপুরে মাদ্রাসা-সংক্রান্ত তদন্তে বৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগনার ভেকুটিয়া গ্রামের শিক্ষক মহম্মদ আবু সালেকের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, মাদ্রাসায় আর্থিক অনিয়ম, জাল নথি তৈরি, বাংলাদেশি নাগরিক ও রোহিঙ্গাদের অবৈধ অনুপ্রবেশ করিয়ে ভারতীয় পরিচয়পত্র পাইয়ে দেওয়ার সংগঠিত চক্রের সঙ্গে তার যোগ থাকতে পারে। অভিযোগ, শ্রমিক পাঠানোর আড়ালে দালালচক্র অনুপ্রবেশকারীদের দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দিত। প্রাথমিক তদন্তে কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার নামও উঠে এসেছে বলে ইডি সূত্রের দাবি। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে মহিলা ও নাবালিকা পাচারের সম্ভাব্য যোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

