Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

সরকার বদলাতেই বনগাঁয় ক্ষোভ উগরে দিলেন ব্যবসায়ীরা , ভাঙা পড়ল  নীল বিদ্রোহের বিতর্কিত ভাস্কর্য

deshersamay

Share article:

দেশের সময় : রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল হতেই বনগাঁর বাটা মোড় সংলগ্ন যশোর রোডের ধারে থাকা নীল বিদ্রোহের স্মৃতিবাহী বিতর্কিত প্রতীকী ভাস্কর্য  ভেঙে ফেলা হলো। শনিবার কলকাতায় যখন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী এবং তাঁর মন্ত্রিসভার ৫ সদস্য শপথ নিচ্ছেন, ঠিক সেই সময়েই বনগাঁর ব্যস্ততম এলাকায় একদল মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই ভাস্কর্য স্থাপত্যগুলি ভেঙে ফেলেন। দীর্ঘ আট বছর পর এই  ভেঙে ফেলায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৯ আগস্ট বনগাঁ পুরসভার পক্ষ থেকে এই মডেলটি যশোর রোডের ধারে স্থাপন করা হয়েছিল। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সেই সময় তাঁদের প্রবল আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কার্যত জোর করেই দোকানের সামনে এই কাঠামোটি বসিয়ে দেওয়া হয়। প্রশাসনের কাছে বারবার আবেদন জানানো সত্ত্বেও গত কয়েক বছরে কোনও সুরাহা হয়নি। অবশেষে শনিবার দুপুরে একদল বিক্ষোভকারী মডেলগুলি ভেঙে ফেললে পরিস্থিতি বদলে যায়।

ব্যবসায়ীদের দাবি, এই বিশাল কাঠামোর কারণে তাঁদের ব্যবসা লাটে ওঠার জোগাড় হয়েছিল। দোকানের সামনে খরিদ্দারদের দাঁড়ানোর জায়গা ছিল না, এমনকি পথচারীদের যাতায়াত এবং মোটরবাইক রাখার ক্ষেত্রেও চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হতো। জনৈক ব্যবসায়ীর কথায়, “যাঁরা আজ এটি ভেঙেছেন, হয়তো ক্ষোভ থেকেই ভেঙেছেন। তবে এর ফলে আমাদের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হলো। আমরা চাই রাস্তাটি পরিষ্কার থাকুক।”

ব্যবসায়ীরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, বনগাঁর বিধায়ক তথা রাজ্যের নবনিযুক্ত মন্ত্রীর কাছে তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন জানাবেন যাতে এই ধ্বংসাবশেষ দ্রুত সরিয়ে ফেলে জায়গাটি সম্পূর্ণ পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি বর্তমান পুর কর্তৃপক্ষের কাছেও যশোর রোডের এই অংশের যানজট মুক্ত করার আবেদন জানানো হবে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। সব মিলিয়ে, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের দিনে বনগাঁর রাজপথ থেকেও এক বিতর্কিত অধ্যায়ের অবসান ঘটল।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.