Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

ভোটের আগে সক্রিয় ইডি, পুরসভায় নিয়োগ-দুর্নীতি তদন্তে ইডি তলব করল মন্ত্রী সুজিত বসু এবং রথীন ঘোষকে!

deshersamay

Share article:

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগামী সোমবার সুজিত বসুকে তলব করল ইডি। পাশাপাশি বুধবার খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষকেও তলব করা হয়েছে। এর আগে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজিত বসুর বাড়ি, অফিস, ছেলের রেস্তোরায় তল্লাশি চলেছিল ইডি। সেই সময় সুজিত বসুর স্ত্রী,মেয়ে,ছেলে, জামাইকেও এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের বাড়িতেও এর আগে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। এবার ভোটের আগে রথীন ঘোষকেও ফের একবার তলব করল ইডি।

বিধানসভা ভোটের আগে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ফের সক্রিয় হল কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। শুক্রবার এই মামলার তদন্তে রাজ্যের দুই মন্ত্রী সুজিত বসু এবং রথীন ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই তিন বার (শুক্রবার-সহ) তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমারকে জমি দখলের মামলায় তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি।

ঘটনাচক্রে, তিন জনেই এ বার বিধানসভা ভোটে আবার তাঁদের পুরনো কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন। সুজিত বিধাননগরে, রথীন মধ্যমগ্রামে এবং দেবাশিস রাসবিহারীতে। ফলে তৃণমূলের তরফে বিজেপির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘ভোটের আগে আবার নতুন শরিক মাঠে নামিয়েছে বিজেপি। তবে এ শরিক রাজনৈতিক শরিক নয়। নির্বাচন কমিশন, এনআইএ-র পরে এ বার শরিক হিসেবে ইডি মাঠে নেমেছে। দিল্লির ভোটের আগে এই শরিকই আবগারি মামলা নিয়ে সক্রিয় হয়েছিল। কিন্তু ভোটের পরে আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরীওয়াল আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছিলেন।’’

এর পরেই বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে অরূপ বলেন, ‘‘এটা বাংলার মাটি। কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করে বিজেপি বাংলা দখল করতে পারবে না।’’ ইডি সূত্রের খবর, সুজিতকে সোমবার (৬ এপ্রিল) এবং রথীনকে বুধবার (৯ এপ্রিল) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিজিও কমপ্লেক্সের দফতরে ডেকে পাঠানো হয়েছে। সে দিন দুই প্রার্থীরই বিভিন্ন পূর্বঘোষিত রাজনৈতিক কর্মসূচি রয়েছে বলে তৃণমূল সূত্রের খবর।

২০২৩ সালের অক্টোবরে পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মন্ত্রী রথীনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। সে সময় তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। ২০২৪ সালে জানুয়ারি এবং ২০২৫ সালের অক্টোবরে মন্ত্রী সুজিতের দফতর এবং বাড়িতে হয়েছিল ইডি-অভিযান। তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েক জনের ঠিকানাতেও তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি।

প্রসঙ্গত, স্কুলে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে ব্যবসায়ী অয়ন শীলকে প্রথম গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। পরে তাঁর সল্টলেকের অফিসে তল্লাশি চালাতে গিয়ে উদ্ধার করা হয় বেশ কিছু উত্তরপত্র বা ওএমআর শিট। সেখান থেকেই পুরসভার নিয়োগেও দুর্নীতির হদিস পান তদন্তকারীরা। অয়নের সংস্থা পুর নিয়োগের ক্ষেত্রে ওএমআরের দায়িত্বে ছিল। তদন্তে নেমে একে একে আরও অনেককে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা। পরে এই মামলায় অবৈধ ভাবে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্তে নামে ইডিও।

গত বছর এই মামলায় প্রথম চার্জশিট দেয় সিবিআই। নিয়োগ দুর্নীতিতে কী ভাবে টাকা লেনদেন হত, সেই চার্জশিটে তার হদিস দিয়েছিল তারা। পাশাপাশি, কী ভাবে চাকরি পাওয়া যেত, তা-ও উল্লেখ করা হয়েছিল। সিবিআই চার্জশিটে দাবি করেছিল, অয়নের দুই এজেন্টের মাধ্যমে বেশ কয়েক জন চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে গড়ে ৫০ হাজার টাকা করে কমিশন নিয়েছিলেন অয়নের এজেন্টরা। অয়নের মাধ্যমে কলকাতা-সহ ১৬টি পুরসভায় নিয়ম-বহির্ভূত ভাবে অনেকে চাকরি পেয়েছেন বলে জানানো হয়। চার্জশিটে শমীক চৌধুরী নামে এক এজেন্টের কথা জানায় সিবিআই।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন