Desher Samay
প্রচ্ছদকলকাতাজেলাপশ্চিমবঙ্গখেলাউত্তরবঙ্গদেশবাংলাদেশআন্তর্জাতিকই-পেপারফটো গ্যালারিসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউব
Breaking News

কাটমানি নিয়ে অভিযোগ হলেই গুরুত্ব দিয়ে দেখুন, নির্দেশ এডিজি আইনশৃঙ্খলার

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ কাটমানি নিয়ে যখন উত্তাল রাজ্য, তখন আর চুপ করে বসে থাকতে পারল না রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনও।

এডিজি আইন-শৃঙ্খলা জ্ঞানবন্ত সিং রাজ্যের সমস্ত পুলিশ সুপার ও পুলিশ কমিশনারদের নির্দেশ দিলেন, কাটমানি নিয়ে অভিযোগ এলে তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। সোমবার জ্ঞানবন্ত বলেন, “কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ এলে পুলিশকে মামলা রুজু করতে হবে।” একই সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে বলেন, “অভিযোগ থাকলে তা স্থানীয় থানায় জানান। বিক্ষোভ করলে আইনশৃঙ্খলার উপর প্রভাব পড়ছে। থানায় অভিযোগ হলে নিশ্চিত ভাবেই প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে।”

নজরুল মঞ্চে রাজ্যের সমস্ত পুরসভার কাউন্সিলরদের সভায় গত সপ্তাহেই মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন কাটমানি যারা নিয়েছ, তারা ফেরত দিয়ে দাও। এরপর থেকেই বিক্ষোভ ক্রমশ দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়তে থাকে। শুরুটা হয়েছিল পর দিন বীরভূমের ইলামবাজার থেকে। তারপর তা সারা রাজ্যে সংক্রামিত হতে শুরু করে।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আসরে নামতে হয় তৃণমূল ভবনকে। রবিবার দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় একটি বিবৃতি জারি করে বলেন, “তৃণমূলের ৯৯.৯৯ শতাংশ কর্মী এবং জনপ্রতিনিধি সৎ। তাঁরা মানুষের জন্য কাজ করেন। সামান্য যাঁরা দুর্নীতি করছেন, হয় তাঁরা অন্য দল থেকে এসেছেন, নয় তাঁদের পিছনে বিজেপি-র মদত আছে।” কিন্তু তাতে কাটমানি ক্ষততে প্রলেপ পড়েনি। সোমবারও রাজ্যের বিস্তীর্ণ অংশে ক্ষোভ-বিক্ষোভ হয়েছে কাটমানি ফেরতের দাবিতে। মঙ্গলকোটে ভাঙচুর হয়েছে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়ি।কাঠমানির অভিযোগ ওঠে বনগাঁর তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে সোমবার বনগাঁর কয়েক শ’ ই রিকশা চালক পুলিশ সুপারের কাছে মিছিল করে গিয়ে স্মারকলিপি জমাওদেন। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

সার্বিক ভাবেই আইনশৃঙ্খলার উপরে পড়তে শুরু করেছে কাটমানি ক্ষোভের প্রভাব। পর্যবেক্ষকদের মতে, বাধ্য হয়েই শীর্ষ পুলিশ কর্তাকে এখন আসরে নামতে হয়েছে। যদিও বিরোধীদের বক্তব্য, “দিদিমণি সৎ সাজতে সবটা নিচুতলার উপর চাপাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এখন হিতে বিপরীত হয়েছে।” তাঁদের আরও বক্তব্য, পুলিশের এই পদক্ষেপ কেবল ‘আই ওয়াশ।’ এক বিজেপি নেতার কথায়, কাটমানি তো আর কেউ চেক বা এনইএফটি করে দেয় না।

ফলে পুলিশ তদন্ত করে করবেটা কী? সব লোক দেখানো।
তবু পুলিশের এই পদক্ষেপ দেখে অনেকেই মনে করছেন, নবান্নর তরফে রাজ্যের মানুষকে একটা বার্তা দেওয়ার চেষ্টা হল যে, সরকার কাউকেই রেয়াত করবে না। সে যেই হোন না কেন। যত বড় নেতাই হোন না কেন।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.