Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

‘আমি যুদ্ধ না থামালে মারাই যেতেন প্রধানমন্ত্রী শরিফ’, শাহবাজের আত্মসমর্পণ নিয়ে নয়া দাবি ট্রাম্পের

deshersamay

Share article:

তিনি না থাকলে আজ ইসলামাবাদের মাটিতে নিঃশ্বাস নিতে পারতেন না পাক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ । ‘অপারেশন সিঁদুর’ পরবর্তী ভারত-পাক যুদ্ধ থামানোর কৃতিত্বের সঙ্গে এ বার নতুন দাবি শোনা গেল আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখে। বুধবার মার্কিন কংগ্রেসে বার্ষিক ‘স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে আবারও নিজেকে ‘শান্তির দূত’ বলে দাবি করলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

তিনি ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ ও যুদ্ধ বন্ধে হস্তক্ষেপ না করলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ আজ জীবিত থাকতেন না।

গত ৯ মাসে অন্তত ৮০ বারেরও বেশি ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনিই ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির মূল কাণ্ডারী। কখনও তাঁর দাবি, পরমাণু যুদ্ধের জন্য তৈরি ছিল দুই দেশ, কিন্তু বাণিজ্য চুক্তির গাজর ঝুলিয়ে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত করিয়েছেন তিনি। কখনও আবার ট্রাম্পের মুখে শোনা গিয়েছে, ২০০% ট্যারিফ আরোপের হুমকিতেই নাকি কেঁচো হয়ে দুই পরমাণু শক্তিধর দেশ যুদ্ধ থামাতে রাজি হয়েছে।

শান্তি নোবেলের অন্যতম দাবিদার তুলে ধরে ট্রাম্প দাবি করেন, ওভাল অফিসে প্রথম ১০ মাস কাটানোর মধ্যেই তিনি আটটি যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমার প্রেসিডেন্টশিপের প্রথম ১০ মাসে আমি আটটি যুদ্ধ থামিয়েছি। আমি না থাকলে, পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে পারমাণবিক যুদ্ধও হতো। কমপক্ষে সাড়ে তিন কোটি মানুষ বলেছেন, আমি যদি নাক না গলাতাম তা হলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মারা যেতেন।’

প্রসঙ্গত, গত ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগামে জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানকে দায়ী করে একাধিক পদক্ষেপ করেছিল ভারত। পাকভূমে বেড়ে ওঠা সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ভারতের প্রত্যাঘাতের অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুর’। গত ৬ মে মধ্যরাতে পাকিস্তানে হামলা চালায় ভারতীয় বাহিনী। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় একাধিক জঙ্গিঘাঁটি।

এর পর পাকিস্তানও পাল্টা হামলা চালায়। দুই দেশের মধ্যে টানা চার দিন সংঘর্ষ চলে। গত ১০ মে ভারত এবং পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হয়। কিন্তু, তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ভারত এবং পাকিস্তানের সংঘর্ষবিরতির কথা দুই দেশের আগে প্রথম সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেছিলেন ট্রাম্প। ইসলামাবাদ ট্রাম্পের কৃতিত্ব মেনে নিলেও নয়াদিল্লি আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কথা অস্বীকার করে বারবার জানিয়ে এসেছে যুদ্ধবিরতি একেবারেই দুই দেশের DGMO-র সিদ্ধান্ত।

এ ছাড়া ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ ছাড়াও তিনি ইজ়রায়েল ও হামাস, ইজ়রায়েল ও ইরান, মিশর ও ইথিওপিয়া, সার্বিয়া ও কসোভো, রুয়ান্ডা ও কঙ্গো, আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এবং কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যেকার সংঘাতও থামিয়েছেন।

গত কয়েক মাসে ট্রাম্প আশিরও বেশি বার বলেছেন, ভারত–পাক সংঘাত থামাতে তাঁরই ভূমিকা ছিল। সংঘর্ষের সময় কতগুলো যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছিল, তা নিয়েও তিনি আলাদা আলাদা সংখ্যা বলেছেন। তবে কোন দেশের বিমান নিয়ে তিনি কথা বলছিলেন, তা স্পষ্ট করেননি। এদিকে নয়াদিল্লির বক্তব্য, ১০ মে যে যুদ্ধবিরতির সমঝোতা হয়েছিল, তা ভারত আর পাকিস্তানের সরাসরি আলোচনার ফল। এতে কোনও তৃতীয় পক্ষের ভূমিকা ছিল না।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.