Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

ঝাড়খণ্ডে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! ভেঙে পড়ল এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স,সকল যাত্রীই মৃত

deshersamay

Share article:

উন্নত চিকিৎসার আশায় চার্টার্ড এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে চেপে রাঁচি থেকে দিল্লি পাড়ি দিচ্ছিলেন অগ্নিদগ্ধ এক রোগী। কিন্তু গন্তব্যে আর পৌঁছনো হলো না। মাঝআকাশেই ঘটল ভয়াবহ বিপত্তি! সোমবার সন্ধ্যায় ঝাড়খণ্ডের ছাতরা জেলার একটি গভীর জঙ্গলে ভেঙে পড়ল সাত আরোহী-সহ ওই এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সটি। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাথমিক ভাবে শুধুমাত্র ওই রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছিল। পরে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ৭ জনেরই মৃত্যু হয়েছে।

ডিজিসিএ সূত্রে জানা গিয়েছে, যাত্রী তালিকা অনুযায়ী বিমানে ছিলেন দু’জন পাইলট, এক জন রোগী, দু’জন সহযাত্রী, এক জন চিকিৎসক এবং একজন প্যারামেডিক কর্মী। এখনও পর্যন্ত কোনও মৃত্যুর খবর নেই।

দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি ছিল একটি Beechcraft C90, যা পরিচালনা করছিল রেড বার্ড এয়ারওয়েস । সোমবার সন্ধে ৭টা ১১ মিনিটে ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি  থেকে উড়ান শুরু করে বিমানটি। প্রায় ২৩ মিনিট পর রাডার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

ডিজিসিএ-র বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিটে কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের পর হঠাৎ যোগাযোগ এবং রাডার সিগন্যাল দু’টিই হারিয়ে যায়। সেই সময় বিমানটি বারাণসীর (Varanasi)-র দক্ষিণ-পূর্বে প্রায় ১০০ নটিক্যাল মাইল দূরে ছিল। বিমানের টেল নম্বর ছিল VT-AJV।

ঘটনার খবর পেয়ে জেলা প্রশাসনের তল্লাশি ও উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পাশাপাশি দুর্ঘটনার তদন্তে নামছে এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো বা এএআইবি -র বিশেষ দল। ডিজিসিএ জানিয়েছে, তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে পরবর্তী তথ্য পরে জানানো হবে।

জানা গিয়েছে, বিমানে থাকা রোগী ৪১ বছরের এক ব্যক্তি। একটি দুর্ঘটনায় তাঁর শরীরের ৬৩ শতাংশ অংশে দগ্ধ হওয়ার আঘাত ছিল। তিনি আইসিইউ-তে চিকিৎসাধীন ছিলেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে দিল্লিতে স্থানান্তর করা হচ্ছিল।

দুর্ঘটনার ঠিক আগে মাঝআকাশে ১৪ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়ছিল বিমানটি এবং পাইলট ১৮ হাজার ফুট উচ্চতায় যাওয়ার জন্য ATC-র কাছে অনুমতি চেয়েছিলেন। সূত্রের খবর খারাপ আবহাওয়ার কারণেই উচ্চতা পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন পাইলটরা। এর পরেই বিমানটি রাডার থেকে হারিয়ে যায়।

ঠিক কী কারণে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। যান্ত্রিক ত্রুটি, খারাপ আবহাওয়া নাকি অন্য কোনও সমস্যা— নেপথ্যের কারণ খুঁজতে ইতিমধ্যেই এয়ারক্রাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো বা AAIB-র একটি বিশেষ তদন্তকারী দলকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন