খাদির পোশাক, বাহারি হস্তশিল্প নিয়ে জমজমাট মেলা বনগাঁয়

0
173
হীয়া রায় ,দেশের সময়

বনগাঁ : পাঞ্জাবি থেকে জওহর কোট, স্বর্ণলতা থেকে পসমিনার মতো শাড়ি। সঙ্গে মোহিনীগঞ্জের তুলাইপাঞ্জি চাল, সুন্দরবনের মধু, মেদিনীপুরের পটচিত্র, কোচবিহারের শীতলপাটি, জলপাইগুড়ির বেতের আসবাব। এক উঠোনে সবই মিলছে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর খাদি মেলায়।

বনগাঁ শহরের সোনালী ক্লাব পার্শ্বস্ত ময়দানে এই মেলার আয়োজন করেছে পশ্চিমবঙ্গ খাদি ও গ্রামীণ শিল্প পর্ষদ।

মেলায় দেখা গেল, খাদির নানা পোশাকের সঙ্গে টেরাকোটা শিল্পের পসার I যা মেলায় বাড়তি পাওনা, জানালেন এক ক্রেতা স্নিগ্ধা চট্টোপাধ্যায়।

এ বারও মেলায় টেরাকোটার পসার নিয়ে এসেছেন ঠাকুরনগরের আশিষ বিশ্বাস বলেন, ‘এখানে প্রথম এসেছি ভাল  বিক্রি হচ্ছে।  বনগাঁর মানুষ ঘর সাজাতে পছন্দ করেন তা বোঝাই যাচ্ছে তাঁদের পছন্দের তালিকা দেখে । বিক্রিও ভালই হচ্ছে।’ এক বিক্রেতা  বেতের আসবাব নিয়ে এ বারই প্রথম পা রেখেছেন বনগাঁর মেলায় । বললেন, ‘ভাল সাড়া পাচ্ছি।

মেলায় এসে সুনিপা চক্রবর্তী  দেশের সময়’কে বললেন, ‘বাংলার নানা প্রান্তের বিভিন্ন হস্তশিল্প থেকে খাদির পোশাক হাতের কাছে এনে দিয়েছে এই মেলা। এই সুযোগ এত দিন আমাদের ছিল না।’

জেলা খাদি দপ্তরের এক আধিকারিক জানালেন ,২১ ফেব্রুয়ারি শুধু হয়ে মেলা চলবে ৩ মার্চপর্যন্ত।

খাদি বস্ত্র থেকে শুরু করে মধু, মোম, ঘি কিংবা গ্রামবাংলার কুটির শিল্পজাত দ্রব্য সবেরই চাহিদা তুঙ্গে। খাদির কুর্তা, শাড়ি, জ্যাকেট বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, সীমান্ত শহরের মানুষের ভীড় জমে উঠেছে। প্রত্যেকেই তাদের প্রছন্দের জিনিস কিনছেন। এখনও পর্যন্ত মেলার শুরুতেই যে বিকিকিনি হয়েছে তা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেন তারা। বিক্রেতারা যেমন জানাচ্ছে বিক্রি-বাট্টা ভালো হচ্ছে।

(West Bengal Government) এই উদ্যোগকে তাঁরা সাধুবাদ জানাচ্ছেন। বিক্রেতারা যেমন খুশি, তেমনি ক্রেতারাও খুশি। খাদি মেলা থেকে পছন্দের জিনিস কিনতে পেরে খুব ভালো লাগছে বলে জানান তাঁরা।

এক বিক্রেতার কথায়,ভালো লক্ষ্মী লাভও হচ্ছে। সরকারি উদ্যোগকে এর জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান ।

Previous articleপবিত্র রমজান মাসে সম্প্রীতির ছবি ,হিন্দু পড়শির দেহ কাঁধে নিয়ে শ্মশানযাত্রী সংখ্যালঘুরা
Next article‘আপনারা তো এমনিই নগ্ন, পোশাক খোলার কী ছিল?’ এআই সামিটে বিক্ষোভ নিয়ে কংগ্রেসকে বিঁধলেন মোদী

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here