Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

কালীঘাটে ‘বহিরাগত’ ধরতে ছুটলেন শুভেন্দু! উত্তপ্ত মুখ্যমন্ত্রীর পাড়া ,দ্বিতীয় দফায় দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৬১.১১ শতাংশ

deshersamay

Share article:

বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটগ্রহণের দিনে চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠল খোদ মুখ্যমন্ত্রী
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়া কালীঘাট। বুধবার দুপুরে নির্বাচনী এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার পর প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী । পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত লাঠিচার্জ করতে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।

বুধবার বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের মুক্তদল মোড় এলাকায় শুভেন্দু অধিকারীর গাড়ি পৌঁছলে উত্তেজনা চরমে ওঠে। সেখানে উপস্থিত তৃণমূলের মহিলা কর্মী-সমর্থকেরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি শুভেন্দুকে লক্ষ্য করে ‘চোর-চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন। এরপর বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি কালীঘাটের পটুয়াপাড়ায় পৌঁছলে সেখানেও বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। বিজেপি কর্মীরাও পাল্টা ‘পিসি চোর-ভাইপো চোর’ স্লোগান দিলে এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।

এদিকে ‘বহিরাগত’ ধরতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে দৌড়তেও দেখা যায় শুভেন্দু অধিকারীকে। বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল, চলে জয় বাংলা, জয় শ্রীরাম স্লোগানযুদ্ধও।

বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভ্রাতৃবধূ তথা ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই দলীয় কার্যালয় থেকে কর্মীদের নির্দেশ দেন শুভেন্দুকে দেখে স্লোগান দেওয়ার জন্য। পাল্টা তৃণমূলের অভিযোগ, শুভেন্দু অধিকারী বহিরাগতদের নিয়ে এলাকায় ঢুকে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন।
কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডের সংযোগস্থলে শুভেন্দু অধিকারীর গাড়ি পৌঁছলে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করে। শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, তাঁকে লক্ষ্য করে বহিরাগতরা আক্রমণ চালাচ্ছে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি নিজেই ফোন করে অতিরিক্ত সিআরপিএফ (CRPF) বাহিনীকে ঘটনাস্থলে আসার অনুরোধ জানান। জয় হিন্দ ভবনের সামনে সেই সময় রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে পৌঁছয় এবং শুভেন্দুকে বিক্ষোভকারীদের দিকে তেড়ে যেতেও দেখা যায়।

এই অশান্তি শুরু হওয়ার ঠিক আগেই শুভেন্দু অধিকারী নিজের জয়ের ব্যাপারে প্রবল আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি দাবি করেন, ভবানীপুরে ৮০ শতাংশ ভোট পড়লে তিনি জয়ী হবেন। যদি ৯০ শতাংশ ভোট পড়ে, তবে তিনি অনেক বড় ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে আনবেন।

তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মধ্যেই ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ শুরু করে জওয়ানরা। পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সম্মিলিত চেষ্টায় পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

আসনভিত্তিক ভোটের হার দুপুর ১টা পর্যন্ত
১৪২টি আসনের মধ্যে ভোটের হার সর্বোচ্চ গলসিতে। ৭০.৪৮ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোটের হার মহেশতলায়। সেখানে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৫২.০৫ শতাংশ। ভাঙড়ে ভোটের হার ৫৪.১৩ শতাংশ। ভবানীপুরে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটের হার ৫৮.৫৩ শতাংশয় 

১টা পর্যন্ত ভোটদানের হার
দুপুর ১টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে ভোটের হার ৬১.১১ শতাংশ। প্রথম দফায় দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৬২.১৮ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় দুপুর ১টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়। সেখানে ভোটের হার ৬৬.৮০ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে— ৫৭.৭৩ শতাংশ। 

দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটদানের হারও ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের তুলনায় অনেকটা বেশি। লোকসভা ভোট সাত দফায় হয়েছিল। দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৪৫ থেকে ৫৫ শতাংশের মধ্যে। ওই সময়ে লোকসভা নির্বাচনে ভোটদানের সর্বোচ্চ হার ছিল ষষ্ঠ দফায়— ৫৪.৮ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছিল সপ্তম দফায়। সেখানে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৪৫.১ শতাংশ।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন