রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতায় ভালবাসার অর্থ খুঁজলেন মমতা , প্রেমদিবস উপলক্ষ্যে বিশেষ পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর
deshersamay


আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি। ভ্যালেন্টাইন্স ডে অর্থাৎ প্রেমের দিবস। বিশ্বজুড়ে যুগলরা এই বিশেষ দিনটি তাঁদের ভালবাসার মানুষের সঙ্গে পালন করে থাকেন।

আদতে প্রেমের কোনও নির্দিষ্ট দিন হয় না বলেই মনে করেন অনেকে, তবে একটা বিশেষ দিন হলে ক্ষতি কী। সেটাই যেন নতুন করে বুঝিয়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রেমদিবস উপলক্ষে সোশ্যাল মিডিয়া বিশেষ বার্তা দিলেন তিনি।
প্রেমের দিবসে এক বিশেষ পোস্ট করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী লিখলেন, ‘তোমারেই যেন ভালবাসিয়াছি শত রূপে শতবার জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।

ভ্যালেন্টাইনস ডে মূলত প্রেম ও ভালোবাসার সর্বজনীন উদ্যাপন—যে ভালোবাসা তার বিস্তৃত ও মহৎ অর্থে জাত, ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণির সব বাধা অতিক্রম করে মানুষের মধ্যে একতার বন্ধন গড়ে তোলে। এই ভালবাসার চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়েই জনসেবায় আমার পথচলা। মানুষের প্রতি এমন এক গভীর ভালোবাসা, যা প্রতিকূলতার ঝড় সামলেও অটুট থাকে, ধৈর্যের সঙ্গে মানুষের কথা শোনে এবং ন্যায় ও মর্যাদার জন্য লড়াই করতে সাহস জোগায়।’
তাঁর কথায়, জনসেবার পথচলায় এই ভালোবাসাই তাঁর প্রেরণা। এমন এক ভালবাসা, যা ঝড়ঝাপটা সামলে দাঁড়িয়ে থাকতে শেখায়; ধৈর্য ধরে মানুষের কথা শুনতে শেখায়; এবং ন্যায় ও মর্যাদার লড়াইয়ে দৃঢ় থাকতে শক্তি জোগায়।

বার্তার শেষে সকলকে ভ্যালেন্টাইনস ডে-র শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লেখেন – ভালোবাসা দীর্ঘজীবী হোক!
রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝেও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মানবিকতার এই বার্তা যে অনেকের মন ছুঁয়েছে, তা বলাই যায়। প্রেমের দিনে সামাজিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার ডাক- এভাবেই নিজের ভাবনা তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী।
"তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শতবার
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) February 14, 2026
জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।"
Valentine’s Day is a celebration of love in all its forms and manifestations, in its widest and noblest sense; love that transcends caste, creed, class and religion.
It is this spirit of love that has guided…
উল্লেখ্য, রাজ্য বাজেট পেশের দিন জানা গিয়েছিল চলতি বছর ১৫ আগস্ট থেকেই চালু হবে ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্প। তবে মঙ্গলবার, নবান্ন থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, আগস্ট নয়, এপ্রিল থেকেই কার্যকর হবে এই প্রকল্প।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, বাজেট পেশের দিন যে কয়েকটি প্রকল্পের ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার, সেগুলির বিস্তারিত বর্ণণা দেবেন তিনি। এবার রাজ্য বাজেটের চমক ছিল যুবসাথী প্রকল্প।

মুখ্যমন্ত্রী শুরুতেই বলেন, কীভাবে, কবে থেকে এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন সাধারণ মানুষ, তা জানাবেন তিনি। যুবসাথী প্রকল্প প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন-
মাধ্যমিক পাশ, ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সীরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। ঐক্যশ্রী, শিক্ষাশ্রী, মেধাশ্রী বা স্মার্টকার্ড পেলেও এই ভাতা পাওয়ায় কোনও সমস্যা হবে না। তবে রাজ্য সরকারের অন্য কোনও প্রকল্পে টাকা না পেলে, এই যুবসাথী প্রকল্পের সুবিধা পাবেন তাঁরা।
আগামী পাঁচ বছর মাসে দেড় হাজার টাকা করে পাবেন। তারপর আবার রিভিউ হবে। যতদিন তাঁরা চাকরি পাচ্ছেন।

আগস্টের পরিবর্তে, ১ এপ্রিল থেকে এই সুবিধা পাবেন ভোক্তারা। মুখ্যমন্ত্রী জানান, যেহেতু নতুন অর্থবর্ষ ওই দিন থেকেই শুরু। তাই ওইদিন থেকেই মিলবে সুবিধা।
তবে অনলাইনে নয়, ফর্ম জমা নেওয়া হবে অফলাইনে। মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানান, ‘যে হেতু সময় কম, তাই অনলাইনে যাচ্ছি না। কারণ কে পাঠাবে না পাঠাবে, রিভিউ করতে, সার্ভে করতে অনেক সময়ত লেগে যাবে।’
কীভাবে এই প্রকল্পের ফর্ম জমা নেওয়া হবে? মুখ্যমন্ত্রী জানান, কাগজে বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে। ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে ২৯৪টি শিবির তৈরি করবে সরকার।

দুয়ারে সরকারের মতো মতো শিবির হবে। প্রত্যেক শিবিরে তিনটি বিভাগ থাকবে। যুবসাথীদের সুবিধা দেওয়ার জন্য যুব এবং ক্রীড়া বিভাগ থাকবে।
ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের জন্য বছরে দু’বার ২০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। তাদের জন্য কৃষি বিভাগ থাকবে। সেই সঙ্গে মাইনর ইরিগেশন এবং পাওয়ার বিভাগ থাকবে।
শিবির চলবে ১৫ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি চলবে শিবির। তবে ছুটির দিনে বন্ধ থাকবে শিবির। শিবিরের সময়সীমও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়েছেন, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে শিবির।

আবেদন জমা করার পর, তাঁদের রসিদ দেওয়া হবে, সঙ্গে সঙ্গে তা ডিজিটাইজও করা হবে। সেই বিষয়টিও স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী।
