Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

শিয়ালদা শাখায় নতুন ৪ রেলরুটের ঘোষণা ,তালিকায় রয়েছে চাঁদাবাজার ,বাগদা! রইল বিস্তারিত

deshersamay

Share article:

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলা সংলগ্ন সীমান্তবর্তী অঞ্চলের উন্নয়নে গতি আনতে বড় উদ্যোগ নিল রেল মন্ত্রক। দীর্ঘদিন ধরে অসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে থাকা চারটি নতুন রেল প্রকল্প পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে একদিকে যেমন যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে তেমনই স্থানীয় অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থা যে আরও উন্নত হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। রেল আধিকারিকদের মতে, এই নতুন লাইনগুলি চালু হলে সীমান্তবর্তী গ্রামীণ এলাকার মানুষ সরাসরি শহরগুলিতে রেল পরিষেবার সুবিধা পাবে।

রেলের সূত্রে জানা গেছে, শিয়ালদা ডিভিশনের আওতায় এবার যে চারটি রুটে নতুন রেলপথ তৈরি হবে সেগুলি হল—
বনগাঁ – পোড়ামহেশতলা, যার দৈর্ঘ্য হবে ২০ কিলোমিটার।

বনগাঁ–চাঁদাবাজার (১১.৫ কিমি), চাঁদাবাজার–বাগদা (১৩.৮ কিমি) এবং রানাঘাট (আড়ংঘাটা)–দত্তফুলিয়া (৮.১৭ কিমি) এই চারটি রুটে নতুন রেললাইন বসানো হবে।
বনগাঁ – চাঁদাবাজার, যার দৈর্ঘ্য হবে ৫ কিলোমিটার।আর এই চারটি রুট মিলিয়ে উত্তর ২৪ পরগনা এবং নদীয়া জেলার বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষরা যে উপকৃত হবে, তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।

বনগাঁ–পেট্রাপোল সেকশন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে এই ব্রডগেজ লাইনটি বনগাঁ–বাগদা রাজ্য সড়কের সমান্তরালে নির্মিত হবে। কৃষিনির্ভর এই এলাকায় দুটি বড় সেতু ও ১৪টি ছোট সেতু তৈরি করা হবে।

ইএমইউ লোকাল পরিষেবা চালু হলে এই অঞ্চল শহরতলি রেল ব্যবস্থার আওতায় আসবে। ফলে কর্মসংস্থান ও ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

অন্যদিকে, শিয়ালদা শাখার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন রানাঘাটের সঙ্গে জুড়ে যাচ্ছে দত্তফুলিয়া। বর্তমানে ট্রেন ধরতে দত্তফুলিয়া এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘ পথ সড়কপথে যাতায়াত করতে হয়।

নতুন লাইনে ১৫টি ছোট সেতু নির্মিত হবে। এই সংযোগ প্রায় ২৮০ বর্গ কিলোমিটার এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের রেল পরিষেবার চাহিদা পূরণ করবে এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

উল্লেখ্য ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এই অঞ্চলগুলোতে রেল যোগাযোগ চালু হলে ব্যবসা থেকে শুরু করে কৃষিপণ্য, পরিবহন বা যাতায়াতে বিরাট সুবিধা আসবে বলেই মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পেট্রাপোল ল্যান্ড পোর্ট কেন্দ্রিক সীমান্ত বাণিজ্য এবার আরও উন্নত হবে। আর রেলের পরিকল্পনা অনুযায়ী, বনগাঁ জংশন থেকে চাঁদাবাজার পর্যন্ত সরাসরি রেল সংযোগ গড়ে তোলা হবে। এমনকি এই অংশে তিনটি বড় সেতু ও একটি ছোট সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে নতুন এই রেল পথের পাশাপাশি জাতীয় পরিষেবার দিকেও নজর দিচ্ছে রেল। কারণ, প্রতিটি রুটে আধুনিক স্টেশন ভবন, উন্নত প্ল্যাটফর্ম, শেড, ফুটওভার ব্রিজ এবং টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আর বনগাঁ থেকে কল্যাণী মুখী পোড়ামহেশতলা পর্যন্ত নতুন রেল সংযোগ উত্তর ২৪ পরগনার অনগ্রসর গ্রামীণ এলাকায় উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। সবথেকে বড় ব্যাপার, এই অংশে একটি বড় সেতু এবং ৩৭টি ছোট সেতু নির্মাণ করা হবে। এছাড়াও বনগাঁ – রানাঘাট শাখার ২১ নম্বর লেভেল ক্রসিং এর কাছে নতুন লাইনের সূচনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন