Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে প্রায় ১০,০০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার রাজস্থানে! ১৮৭টি বস্তায় বাঁধা ছিল আরডিএক্সের মশলা, বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল

deshersamay

Share article:
মিলি দাস , দেশের সময়

সাধারণতন্ত্র দিবসের ঠিক আগের রাতে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করল রাজস্থান পুলিশ । নাগৌর জেলার একটি চাষের জমি থেকে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক। মোট ১৮৭টি বস্তায় ৯,৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে এক ব্যক্তিকে।

গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে শনিবার গভীর রাতে নাগৌর জেলার হারসৌর গ্রামে অভিযান চালানো হয়। সে সময় একটি খেত থেকে উদ্ধার হয় ১৮৭টি বস্তায় ভরা মোট ৯,৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। নাগৌরের পুলিশ সুপার মৃদুল কচ্ছাওয়া  জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকের পরিমাণ এতটাই বেশি যে যেকোনও মুহূর্তে বড়সড় কিছু হতে পারত।

পুলিশ আধিকারিকদের বক্তব্য, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট অতীতেও একাধিক বড় বিস্ফোরণের ঘটনায় ব্যবহৃত হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে দিল্লির লালকেল্লা সংলগ্ন এলাকায় যে বিস্ফোরণ হয়েছিল, সেখানেও এই রাসায়নিকের যোগ ছিল বলে তদন্তে আসে। সেই অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখেই বিস্ফোরক উদ্ধারের বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে প্রশাসন।

ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে হারসৌর গ্রামের বাসিন্দা সুলেমান খানকে । পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ধৃতের বিরুদ্ধে আগেই তিনটি ফৌজদারি মামলা নথিভুক্ত রয়েছে। ফলে এই ঘটনার সঙ্গে তার যোগসূত্র আরও গভীর।

শুধু অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট নয়, ওই খেতে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক সরঞ্জামও পাওয়া গেছে। পুলিশের তালিকা অনুযায়ী, ডিটোনেটরের  ন’টি কার্টন, নীল ফিউজ তারের  ১২টি কার্টন ও ১৫টি বান্ডিল এবং লাল ফিউজ তারের  ১২টি কার্টন ও পাঁচটি বান্ডিল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই সব সরঞ্জাম সাধারণত বিস্ফোরক কাজে ব্যবহৃত হয়। ফলে কী উদ্দেশে এই এত সরঞ্জাম জড়ো করা হয়েছিল, তা জানা চেষ্টা চলছে।

পুলিশের বক্তব্য, প্রাথমিক জেরায় ধৃত জানিয়েছে, বৈধ ও অবৈধ খননকাজে  যুক্ত ব্যক্তিদের কাছে এই বিস্ফোরক সরবরাহ করা হচ্ছিল। ঠিক কোন কোন এলাকায় এবং কারা এই বিস্ফোরক নিত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনায় বিস্ফোরক আইন -এর প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা রুজু করেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

পুলিশ সুপার মৃদুল কচ্ছাওয়া সব শেষে জানিয়েছেন, এই বিষয়টি ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে জানানো হয়েছে। বৃহত্তর কোনও চক্র কাজ করছে কি না, তা জানতে সুলেমানকে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন