Winter in Kolkata: সত্যিই বরফ পড়বে কলকাতায় ? দুই দশকের শীতলতম দিন ১০ বছরের রেকর্ড ভাঙল বছরের শেষ দিনে!
deshersamay


বছরের শেষ দিনে রেকর্ড শীত! কলকাতায় আরও কমল তাপমাত্রা । হাওয়া অফিস সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, বুধবার বাঁকুড়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি বছরের শীতলতম দিন হিসেবে আপাতত চিহ্নিত হয়ে থাকল। এমনকি বছর শুরুর পরেও আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রার পারদ পতন অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

বর্ষশেষে জাঁকিয়ে শীতের রেকর্ড কলকাতায়। কুয়াশা কাটতেই হুড়মুড়িয়ে নামল রাতের তাপমাত্রা। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শুধু এই মরশুমের শীতলতম দিনের রেকর্ডই করল না, ৭ বছরে ডিসেম্বরের শীতলতম দিন হিসাবে উঠে এল কলকাতায়। ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামল কলকাতার পারদ। গত ১০ বছরের পরিসংখ্যান বলছে এর আগে ২০১৬ সালে শীতলতম দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ১২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ২০১৭ সালে রেকর্ড ছিল ১৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০১৮ সালে ১০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

২০১৯ সালেও ১১ ডিগ্রির পারা ছুঁয়েছিল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। সেবার রেকর্ড হয়েছিল ১১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০২ সালে ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০২১ সালে ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০২২ সালে শীতলতম দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০২৩ সালে ১৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০২৪ সালে ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আর এবার ২০২৫ সালে এখনও পর্যন্ত শীতলতম দিন করে ফেলল ১১ ডিগ্রির রেকর্ড।
একইসঙ্গে হয়ে গেল আরও এক নতুন রেকর্ড। কলকাতা দেখল ‘শীতল’ বর্ষশেষ। গত বছর উষ্ণ বর্ষশেষে ৩১ ডিসেম্বর পারদ ছিল ১৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর ছিল ১৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০১৪ সালে ছিল ১৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এবার ২ দশকের ‘শীতলতম বর্ষশেষ’ মহানগরে। এর আগে ২০০৭ সালে পারদ নেমেছিল ১১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ২০১২ ও ২০১৯ সালে নেমেছিল ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
তবে এই দফায় শীতের কামড় আর বাড়বে না বলেই মনে করছে আবহাওয়া দফতর। আগামী ৩ দিনে ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়বে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে সাময়িক ভাবে কমবে ঠান্ডা। ৫ জানুয়ারির পর আবার স্বমেজাজে ফিরবে শীত।

একইসঙ্গে হয়ে গেল আরও এক নতুন রেকর্ড। কলকাতা দেখল ‘শীতল’ বর্ষশেষ। গত বছর উষ্ণ বর্ষশেষে ৩১ ডিসেম্বর পারদ ছিল ১৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর ছিল ১৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০১৪ সালে ছিল ১৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এবার ২ দশকের ‘শীতলতম বর্ষশেষ’ মহানগরে। এর আগে ২০০৭ সালে পারদ নেমেছিল ১১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ২০১২ ও ২০১৯ সালে নেমেছিল ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
তবে এই দফায় শীতের কামড় আর বাড়বে না বলেই মনে করছে আবহাওয়া দফতর। আগামী ৩ দিনে ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়বে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে সাময়িক ভাবে কমবে ঠান্ডা। ৫ জানুয়ারির পর আবার স্বমেজাজে ফিরবে শীত।
অন্যদিকে,ঘন কুয়াশার জেরে ব্যাহত হতে পারে বিমান চলাচল, যাত্রীদের জন্য সতর্কতা জারি করল দিল্লি বিমানবন্দর!

সকাল থেকেই ঘন কুয়াশা দিল্লি জুড়ে। দৃশ্যমানতা প্রায় শূন্য। এর জেরে ব্যাহত হতে পারে বিমান চলাচল। বুধবার সকালেই এই নিয়ে যাত্রীদের জন্য বিশেষ অ্যাডভাইজ়ারি জারি করল দিল্লি বিমানবন্দর।
সকাল থেকেই এর জেরে ফ্লাইট ওঠা-নামা ব্যাহত হতে পারে এবং বিমান ছাড়তে দেরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। সেই কারণে ফ্লাইট ধরতে আসার আগে যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট বিমানসংস্থার কাছে খোঁজখবর নিয়ে আসতেও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
যাত্রীদের জন্য একই রকম অ্যাডভাইজ়ারি জারি করা হয়েছে ইন্ডিগো বিমান সংস্থার তরফে। ঘন কুয়াশার কারণে দিল্লি ছাড়াও উত্তর ভারতের বেশ কয়েকটি বিমানবন্দর প্রভাবিত হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। এর কারণ হিসেবে সকালের দিকে দৃশ্যমানতা কম থাকার কথা জানিয়েছে ইন্ডিগো।
বিমান সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, যে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ফ্লাইটের যাত্রা এবং আসার উপর প্রভাব পড়তে পারে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে প্রয়োজনীয় অপারেশনাল সমন্বয় করাও হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ঘন কুয়াশা ও বায়ুদূষণে বিপর্যস্ত দেশের রাজধানী শহর। মঙ্গলবার সকালেও দিল্লির এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স ছিল খুবই খারাপ।
Travel Advisory
— IndiGo (@IndiGo6E) December 31, 2025
Foggy conditions are present across Delhi and several airports in northern India this morning. If reduced visibility conditions persist, flight departures and arrivals may be impacted as the day progresses.
We are closely monitoring the situation and are…

‘ফ্লাইটরাডার২৪’-এর তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার ভোর থেকে সকাল ৮টার মধ্যে ১৫০টিরও বেশি ফ্লাইট পরিষেবা বিলম্ব হয়েছে। যদিও সোমবার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ ছিল। সেই দিন ৫৫০টিরও বেশি ফ্লাইট দেরিতে ছেড়েছিল। সেই সঙ্গে ১৩০টি ফ্লাইট বাতিলের পাশাপাশি অন্তত ৮টি ফ্লাইটের রুট পরিবর্তন করা হয়। এ দিকে উত্তর রেলওয়ে জানিয়েছে, কুয়াশার কারণে বেশ কিছু ট্রেন দেরিতে চলছে।
আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী কয়েক দিনও একই রকম কুয়াশায় মোড়া থাকবে দিল্লি এবং আশেপাশের এলাকা। অন্তত আরও ৬ দিন সেখানে ঘন কুয়াশা এবং বাতাসের মান খারাপ থাকবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
