Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

জনসভায় দিদির মুখে ভূপেন’দা , বনগাঁ নিয়ে নীরব থাকায় আশাহত দলের স্থানীয় নেতৃত্ব : দেখুন ভিডিও

deshersamay

Share article:

বনগাঁ পুরসভার অস্থির পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবার জনসভা থেকে একটি শব্দও খরচ করলেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইস্তফার নির্দেশ পাওয়া চেয়ারম্যান গোপাল শেঠ কিংবা বনগাঁ পুরসভা নিয়ে কোন কথা না বললেও, জনসভা থেকে একাধিকবার গোপালের বাবা বনগাঁর প্রয়াত বিধায়ক ভূপেন শেঠের নাম উচ্চারণ করেছেন মমতা।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই গোপালের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাবে সই না করায় বনগাঁর ৬ মহিলা তৃণমূল কাউন্সিলারের বাড়িতে রাতের অন্ধকারে হামলা চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। ওই কাউন্সিলাররা আশায় ছিলেন সার-এর বিরোধিতা করার পাশাপাশি বনগাঁ পুরসভা নিয়েও হয়তো কিছু বলবেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী এই প্রসঙ্গে নীরব থাকায় তাঁরা আশাহত। গত লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রচারে বনগাঁয় এসেও ভূপেন শেঠের নাম করেছিলেন মমতা। এক বছর পর ফের তিনি এলেন বনগাঁয়। এ দিনের জনসভা থেকেও তাঁর গলায় শোনা গেল ভূপেন শেঠের কথা। দেখুন ভিডিও

তিনি বলেন, ‘আমি তখন ছোট ছিলাম। ছাত্র রাজনীতি করতাম। ওই সময় থেকে আমি বনগাঁয় আসি। ভূপেনদা তখন বিধায়ক ছিলেন। ভূপেনদা আমাকে ডেকে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে লাঞ্চ করিয়েছিলেন। অনেকবার বনগাঁয় এসে ভূপেনদার বাড়িতে গিয়েছিলাম।’ এই প্রসঙ্গে ২ নম্বর ওয়ার্ডের আক্রান্ত তৃণমূল কাউন্সিলার শিখা ঘোষ বলেন, ‘উনি কিছু বলেননি। ঠিক আছে। দেখা যাক, আগামী দিনে কি হয়? আমরা আশাহত হয়েছি তবে দিদির প্রতি  আস্থা রাখছি, ভরসা আছে।’

বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার তৃণমূলের সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, ‘বনগাঁ এবং ভূপেন শেঠ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেগের। এর আগেও বনগাঁয় এসে তিনি ভূপেন শেঠের নাম করেছেন। এ দিনও আবেগ থেকেই বলেছেন।’ দলের নির্দেশ অগ্রাহ্য করে বনগাঁর পুরপ্রধান পদে ইস্তফা দেননি গোপাল শেঠ। উল্টে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পুরসভা থেকে ছুটি নিয়ে এই মুহূর্তে তিনি কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি। এ ব্যাপারে তাঁকে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন