Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

Weather Update কলকাতার তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রির ঘরে নামল ,কী বলল হাওয়া অফিস?

deshersamay

Share article:
হীয়া রায় , দেশের সময়

যেন লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে একের পর এক নিম্নচাপ। কারণ, বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরির পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল হাওয়া অফিস। আর এবার আরও একটি নিম্নচাপ তৈরির পূর্বভাস দিল হাওয়া অফিস। তবে এই ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাসের আগে তাপমাত্রা আরও কমবে বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন আবহাবিদরা। জানা যাচ্ছে,

কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রবিবারের ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে সোমবার এক ধাক্কায় নেমে এল ১৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। পুনের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ট্রপিক্যাল মিটিওরোলজি (আইআইটিএম)–র তথ্য অনুযায়ী, মহানগর শেষ বার এর চেয়ে কম তাপমাত্রা পেয়েছিল ২৮৯ দিন আগে, ৯ ফেব্রুয়ারি। সে দিন শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ বার টানা ৮ দিন রাতের তাপমাত্রা ১৮ ও ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ঘোরাঘুরি করার পরে অবশেষে সোমবার একেবারে ১৬ ডিগ্রির ঘরে নামল।

আবহবিদরা জানাচ্ছেন, দেশের উত্তর–পশ্চিম দিক থেকে ঢুকতে থাকা ঠান্ডা বাতাসের গতি কিছুটা বাড়ার ফলেই দক্ষিণবঙ্গে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা নিম্নমুখী। মরশুমে এ–ই প্রথম কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এল ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। শ্রীনিকেতন (১২.২) এবং কল্যাণী (১২.৮) ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে নেমেছে। আলিপুরদুয়ার (১৩), সিউড়ি (১৩.২) এবং কোচবিহারের (১৩.৬) রাতের তাপমাত্রা নেমেছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগর শান্ত হলে ঠান্ডা বাতাসের প্রবেশ আরও সহজ হবে। আর তখনই জাঁকিয়ে শীত পড়তে শুরু করবে।

সমুদ্র এখন অশান্ত। আন্দামান সাগরের গভীর নিম্নচাপটি যেমন আরও কিছুটা শক্তি বাড়িয়েছে, সেই সঙ্গে দক্ষিণ–পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে শ্রীলঙ্কার কাছে নতুন করে একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছে বলে মৌসম ভবন জানাচ্ছে। তবে বাংলা নিয়ে এখনও পর্যন্ত আলাদা করে কোনও পূর্বাভাস জারি করা হয়নি। অন্তত আগামী এক সপ্তাহ বাংলার আবহাওয়ায় কোনও অবনতির আশঙ্কা এখনও পর্যন্ত করা হচ্ছে না।

মালাক্কা প্রণালীর কাছে তৈরি যে নিম্নচাপ ২৭ নভেম্বর নাগাদ ঘূর্ণিঝড় ‘সেনইয়ার’–এ পরিণত হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে, সেটি ইতিমধ্যেই সরতে শুরু করেছে পশ্চিম এবং উত্তর–পশ্চিম দিকে। এই ভাবে ওই নিম্নচাপ মালয়েশিয়ার থেকে দূরত্ব বাড়িয়ে এ বার আন্দামান ও নিকোবরের দিকে এগোচ্ছে— এই মর্মে মঙ্গলবার বিকেলে বুলেটিন প্রকাশ করেছে মৌসম ভবন।

ওই গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে নিম্নচাপটি শুধু ওই জায়গায় বৃষ্টি নামিয়েই শান্ত হবে না। আবহবিদদের পূর্বাভাস, ওই নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড় ‘সেনইয়ার’–এ পরিণত হয়ে তামিলনাড়ু থেকে ওডিশা পর্যন্ত বিস্তৃত উপকূলের কোনও জায়গায় ল্যান্ডফল করতে চলেছে। তবে কোন জায়গায় সেটা হবে, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত নন আবহবিদরা।

মৌসম ভবন যখন মালাক্কা প্রণালীর কাছে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটির ক্রমশ শক্তি বাড়ানোর দিকে সতর্ক নজর রাখছে, সেই সময়েই দক্ষিণ–পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে শ্রীলঙ্কার কাছে তৈরি হয়েছে আরও একটি নিম্নচাপ। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ নিম্নচাপটি তৈরি হয়। মৌসম ভবন জানিয়েছে, আজ, বুধবারের মধ্যে নিম্নচাপটি শক্তি বাড়িয়ে প্রথমে সুস্পষ্ট নিম্নচাপ এবং তার পর গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। এই নিম্নচাপের সম্ভাব্য গতিপথ উত্তর–পশ্চিমে— তামিলনাড়ু উপকূলের দিকে।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন