Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

তালিকা বিতর্কে বনগাঁর বিজেপি বিধায়ক, ২০০২ ভোটার লিস্টে অশোক কীর্তনীয়ার নাম , নেই বাবা-মা

deshersamay

Share article:

দেশের সময় , বনগাঁ: জাতীয় নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে বনগাঁ উত্তরে বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়ার। কিন্তু নাম নেই তাঁর বাবা-মায়ের। নিয়ম ভেঙে বিজেপি বিধায়ক ভোটার তালিকায় নাম তুলেছেন, এই অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের বনগাঁ শাখার সদস্যরা।

বিজেপি বিধায়কের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার দাবিতে সোমবার বনগাঁর এসডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভদেখান মতুয়ারা। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অশোক।

বিহারের পর এ বার এ রাজ্যেও ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেনসিভরিভিশন চালু করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় বাবা-মায়ের নাম ছাড়াই কী ভাবে বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়ার নাম উঠল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, বনগাঁ ব্লকের ঘাটবাঁওর অঞ্চলের তালিকায় অশোকের নাম থাকলেও নাম নেই বিধায়কের মা-বাবার।

বনগাঁ পুরসভার গান্ধীপল্লি এলাকায় ২০১০ সালের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে বিজেপি বিধায়কের বাবা-মায়ের। মতুয়া মহাসংঘের বনগাঁ শাখার সম্পাদক প্রসেনজিৎ বিশ্বাস বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের প্রকাশ করা ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় বিজেপির অশোক কীর্তনীয়ার নাম থাকলেও নাম নেই তাঁর মা-বাবার। পরে দেখা গিয়েছে, ২০১১ সালের ভোটার তালিকায় রয়েছে তাঁর মা-বাবার নাম। আমরা ডেপুটেশন জমা দিয়েছি।’

অভিযোগ অস্বীকার করে অশোক বলেন, ‘আমার বাবা ১৯৫০ সালে বাংলাদেশ থেকে এসেছেন। তার সমস্ত কাগজপত্র আছে। ১৯৯৩ সালে মা-বাবার নাম ওঠে ভোটার তালিকায়। কেন তাঁদের নাম ২০০২ সালে ওঠেনি, সেটা ওই সময়কার বাম নেতৃত্ব জানেন। তৃণমূল আমাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে।’ তৃণমূলের বনগাঁ সংগঠনিক জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, ‘২০০২ সালে অশোক কীর্তনীয়ার নাম আছে। কিন্তু তাঁর মা-বাবার নেই কেন, এর উত্তর অশোক কীর্তনীয়াকে দিতে হবে। মা-বাবার আগে সন্তানের নাম উঠে গেছে ভোটার তালিকায়, এমন ঘটনা এই প্রথম দেখলাম।’

অন্যদিকে, গাইঘাটার সুটিয়ার বাসিন্দা পরিমল দাস নামে এক ব্যক্তির ভোটার কার্ড নিয়ে বেনিয়মের অভিযোগ সামনে এল। অভিযোগ, ছবি এবং নাম পরিবর্তন করে পরিমল দাসের ভোটার কার্ড গাইঘাটা থেকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে রাজারহাট এলাকায়।

ফলে গাইঘাটার বাসিন্দা হয়েও বহুবছর ধরে লোকসভা, বিধানসভা ও পঞ্চায়েত নির্বাচনে স্থানীয় বুথে ভোট দিতে পারছেন না তিনি। সোমবার গোটা বিষয়টি জানিয়ে গাইঘাটা থানা ও বিডিও-র কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন পরিমল। ব্লক প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখে রাজারহাট থেকে ভোটার কার্ড গাইঘাটায় স্থানান্তর করে নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে তাঁকে।

সুটিয়ার তেঘরিয়ায় থাকেন পরিমল দাস। ১০ বছর আগে তিনি স্থানীয় কৃষ্ণপুর প্রাইমারি স্কুলের বুথে গিয়ে ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু এর পর থেকে আর কোনও নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি। ভোটার কার্ড নিয়ে গেলেও তাঁকে বলা হতো, তাঁর নাম নেই ভোটার তালিকায়।

পরে তিনি জানতে পারেন, তাঁর ভোটার কার্ডটি গাইঘাটা থেকে রাজারহাটে স্থানান্তর করা হয়েছে। ফের তিনি অনলাইনে আবেদন করেছিলেন ভোটার কার্ডের জন্য। কিন্তু কাজ হয়নি। গাইঘাটার বিডিও নীলাদ্রি সরকার বলেন, ‘কার্ডটি রাজারহাটে স্থানান্তর হয়ে গিয়েছে। খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন