বঙ্গ রাজনীতিতে এই মুহূর্তে সব থেকে বেশি চর্চা হচ্ছে, বিজেপির আগামী রাজ্য সভাপতির নাম নিয়ে। কার হাতে বঙ্গ বিজেপির ব্যাটন উঠবে? এরই মধ্যে জানা গেল, বুধবার বেলা ১২টা ৩৫ মিনিট নাগাদ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশও চলে এসেছে কলকাতায়। রাজ্যসভার সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যকেই রাজ্য সভাপতি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বললেন দিল্লির নেতৃত্ব। দলীয় সূত্রে খবর, সুকান্তের পরে শমীকই হতে চলেছেন বিজেপির পরবর্তী রাজ্য সভাপতি। অপেক্ষা শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার।
দিল্লি থেকে ফিরে রাজ্য সভাপতি পদের জন্য মনোনয়ন জমা দিতে যাচ্ছেন রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য।
সূত্রের দাবি, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার নির্দেশেই শমীক আজ মনোনয়ন জমা দিচ্ছেন। কানাঘুষো, হিসেবে খুব গোলমাল না হলে, তাঁর নামেই চূড়ান্ত সিলমোহর পড়তে চলেছে।
ইতিমধ্যেই বর্তমান রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, ‘সহমতের ভিত্তিতেই আমাদের পার্টি চলে। ফলে একটি নামই হবে বলে আমার বিশ্বাস। পার্টি যাঁর নাম ঠিক করবে, তিনিই নমিনেশন দেবেন।’ ফলে শমীক ছাড়া অন্য কেউ মনোনয়ন দেবেন বলে মনে করছে না দলের প্রায় সকলেই। তবে কেউ যদি মনোনয়ন দেন, সে ক্ষেত্রে ভোটাভুটি হবে।
আগামী বছর রাজ্যে বিধানসভা ভোট। তার আগে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের সাংগঠনিক হাল কার হাতে যাবে, তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আজই হয়ে যাবে। বৃহস্পতিবার সায়েন্স সিটিতে নতুন রাজ্য সভাপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। বর্তমান রাজ্য সভাপতির কথায়, ‘পার্টির যেমন নির্দেশ থাকবে, সেই অনুযায়ী সভাপতি হবেন। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। যে রকম সভাপতি প্রয়োজন, তেমন সভাপতিই হবেন।’
ইতিমধ্যেই সল্টলেকে বিজেপির অফিসে নেতৃত্ব, কর্মীরা আসতে শুরু করেছেন। দুপুর ২টো থেকে ৪ পর্যন্ত নমিনেশনের সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে। এর পরে বিকেল ৫টায় স্ক্রুটিনি। সুনীল বনশল, সুকান্ত মজুমদার, জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, শঙ্কর ঘোষের মতো বিজেপি নেতারা ইতিমধ্যেই হাজির হয়েছেন সল্টলেকের অফিসে।



