Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

নতুন করে করোনার দাপাদাপি শুরু হতেই মাস্ক নিয়ে শুরু হয়েছে কালোবাজারি

deshersamay

Share article:

দেশের সময় : করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নাজেহাল গোটা দেশ। চিকিৎসকেরা বলছেন, মাস্কই একমাত্র ভরসা। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মাস্ক নিয়ে শুরু হয়েছে কালোবাজারি।
এক বছর আগে করোনার যখন প্রথম ঢেউ ভারতে আছড়ে পড়েছিল, তখন নতুন এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে মোকাবেলা করতে তৎপর হয়েছিল সব পক্ষই।

চিকিৎসকেরা তখন বারবার বলেছিলেন, এই ভাইরাস এর সংক্রমণ আটকাতে প্রত্যেককে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। সঙ্গে বারেবারে হাত ধোয়া এবং স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। চিকিৎসকদের মতে, করোনা ভাইরাস সাধারণত ছড়ায় ড্রপলেট এর মাধ্যমে। আর তাই মাস্ক ব্যবহার প্রত্যেকের জন্য অত্যন্ত জরুরী।

তবে বাজারে বিভিন্ন রকম মাস্ক পাওয়া যায়। তার মধ্যে কোনটা কত বেশি কার্যকরী সে ব্যাপারেও নানান রকম ব্যাখ্যা আছে। গত বছর এই নতুন রোগের প্রাদুর্ভাব শুরু হতেই বাজারে নানা রকম মাস্ক এবং স্যানিটাইজার বিক্রির পরিমাণ যথেষ্ট বেড়ে যায়। তারপর একটা সময় এই রোগের উপদ্রব কিছুটা কমতে থাকায় মাস্ক এবং স্যানিটাইজারের বিক্রিও কমতে থাকে।

এবছর ফের শুরু হয়েছে করোনার দাপাদাপি। দিন দিন তা মারাত্মক আকার ধারণ করছে। আর তাই ফের চাহিদা বাড়ছে মাস্ক এবং স্যানিটাইজার এর। চিকিৎসকেরা বলছেন, একটি মাস্ক নয়, দুটি মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। তার মধ্যে অবশ্যই একটি সার্জিক্যাল মাস্ক হতে হবে। এই পরিস্থিতিতে সার্জিক্যাল মাস্ক এর চাহিদা বেড়েছে কয়েকগুণ। আর এই সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে একশ্রেণীর ব্যবসায়ীরা। শুরু হয়েছে কালোবাজারি।

বনগাঁর মত বিভিন্ন এলাকাতেই এখন ভালো সার্জিক্যাল মাস্ক অমিল। যদিও বা হাতে গোনা দুই একজন দোকানদারের কাছে পাওয়া যাচ্ছে, তাতে দাম আগের থেকে অন্তত তিন থেকে চার গুণ বেশি। কেন এমন পরিস্থিতি ? এই প্রশ্নের উত্তরে ব্যবসায়ীরা জানালেন, কলকাতায় মাস্কের হোলসেলার এর কাছে অর্ডার দিলেও মাল পাওয়া যাচ্ছে না। যদিও বা পাওয়া যাচ্ছে, তা তিন থেকে চার গুণ দাম চড়িয়ে বলা হচ্ছে। ফলে আমাদের হাত-পা বাঁধা।

এত দাম বেড়ে যাওয়ার ফলে অনেক ব্যবসায়ী মাস্ক বিক্রির জন্য তুলতে পারছেন না‌ এই পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষের দাবি, অবিলম্বে এ ব্যাপারে প্রশাসন হস্তক্ষেপ করুক। মাস্কের কালোবাজারি বন্ধ হোক।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন