Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

নন্দীগ্রামে নতুন সেতু, জোর গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণে, কলকাতায় গুচ্ছ উড়ালপুল, পরিকাঠামো খাতে বিপুল বরাদ্দের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ গত সোমবার কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করেছিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তাতে তিনি পশ্চিমবঙ্গে ৬৭৫ কিলোমিটার স্টেট হাইওয়ে নির্মাণের জন্য ২৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ ঘোষণা করেছিলেন।
সোমবার রাজ্য বাজেট তথা ভোট অন একাউন্ট পেশ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করলেন কলকাতায় একগুচ্ছ উড়ালপুল নির্মাণ করা হবে। সেইসঙ্গে পথশ্রী প্রকল্পে গ্রামীণ এলাকায় ১০ হাজার কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করবে রাজ্য সরকার।

কোথায় কোথায় উড়ালপুলগুলির প্রস্তাব রাখা হয়েছে? এদিন বাজেট বক্তৃতায় মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন নিউটাউন থেকে ইএম বাইপাস, উল্টোডাঙা থেকে পোস্তা, পাইকপাড়া থেকে শিয়ালদহ স্টেশন, গড়িয়া থেকে যাদবপুর, টালা থেকে ডানলপ পর্যন্ত উড়ালপুর নির্মাণ হবে। এর মধ্যে টালা ডানলপ উড়ালপুলটি ছয় লেনের হবে উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এ ছাড়া রুবি থেকে কালিকাপুর, সৈয়দ আমির আলি এভিনিউতে ‘মা’ উড়ালপুল থেকে গুরুসদয় দত্ত রোড পর্যন্ত একটি উড়ালপুল, সোনারপুর-বানতলা রোড থেকে সোনারপুর চক্রবেড়িয়া পর্যন্ত উড়ালপুল, জীবনানন্দ সেতু থেকে টিপু সুলতান মসজিদ পর্যন্ত দেশপ্রাণ শাসমল রোড মোড় পর্যন্ত প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোড পর্যন্ত একটি উড়ালপুল এবং মাঝেরহাট থেকে টালিগঞ্জ পর্যন্ত একটি উড়ালপুল নির্মাণের কথা বলা হয়েছে।

তা ছাড়া পার্ক সার্কাস কানেক্টরে পথচারীদের সুবিধার্থে স্কাইওয়াক নির্মিত হবে বলেও ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র অসুস্থ থাকায় এদিন বাজেট পেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

নন্দীগ্রামে হলদি নদীর উপরে একটি সেতু নির্মাণের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। যা হলদিয়ার সঙ্গে যুক্ত হবে। ইতিমধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন নন্দীগ্রাম থেকে একুশের ভোটে লড়বেন। সেতু নির্মাণের ঘোষণার সঙ্গে অনেকেই তাকে জুড়ে দেখতে চাইছেন। তাছাড়া কলকাতা থেকে বাসন্তী পর্যন্ত রাস্তা চার লেন করা হবে। এরকম আরও কিছু রাস্তা সম্প্রসারণের কথা বলা হয়েছে বাজেটে।
যদিও বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, “তৃণমূলের উড়ালপুল মানে পোস্তা। কাটমানি খেয়ে নিম্নমানের জিনিস দিয়ে উড়ালপুল বানানো আর তা ভেঙে পড়ে মানুষের মৃত্যু। তাছাড়া দিদিমণির লোকেরাও বিশ্বাস করবেন না এগুলো হওয়া সম্ভব। তাই বিদায় বেলায় যা খুশি তাই বলে দিয়েছেন।”

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন