প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘যাঁদের বিরুদ্ধে লড়াই, সেই বামেরাই বন্ধু মমতার’, সিপিআইএম-এর সঙ্গে হাত মেলাতেই কটাক্ষ শুভেন্দুর •‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

কয়লা পাচার কাণ্ড: লালা, বিনয় মিশ্র ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে তল্লাশি সিবিআইয়ের

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃকলকাতার সল্টলেক থেকে রাণীগঞ্জের শিল্পাঞ্চল, কয়লা পাচারের তদন্তে নেমে এর আগেও বহুবার রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাতে দেখা গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে। বুধবার সকাল থেকে ফের একবার তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে তারা। মূলত বিনয় মিশ্র ও অনুপ মাঝি ওরফে লালা ঘনিষ্ঠদের বাড়িতেই এই তল্লাশি চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা।

সূত্রের খবর, বুধবার সকাল থেকে দুর্গাপুর, আসানসোল ও রাণীগঞ্জের অন্তত ১০ জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে সিবিআই। সেখানে রয়েছেন কেন্দ্রীয় সংস্থার অন্তত ৭৫ অফিসার। এছাড়া কলকাতায় সিবিআইয়ের আরও ৫টি দল স্ট্যান্ড বাই হিসেবে রয়েছে বলেই খবর। অর্থাৎ দরকার পড়লে তাদেরও নিয়োগ করা হবে। মূলত লালা ও বিনয় মিশ্র ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে একসঙ্গে সিবিআই হানা দিয়েছে বলে খবর।

কয়লা ও গরু পাচারকাণ্ডে ব্যবসায়ী অনুপ মাঝি ওরফে লালার খোঁজ এখনও পায়নি সিবিআই। এরমধ্যেই গত ৩১ ডিসেম্বর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ও ব্যবসায়ী বিনয় মিশ্রের বাড়িতে সিবিআই তল্লাশি অভিযান হয়েছে। রাসবিহারী ও চেতলায় ওই ব্যবসায়ীর ২টি বাড়িতে হানা দেন সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা। তবে তার সন্ধান পায়নি সিবিআই। ফলে তার নামে লুক আউট নোটিস জারি করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ এবং অনেক নথি এদিন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কয়লা পাচার কাণ্ডে ইতিমধ্যেই পুরুলিয়ার ব্যবসায়ী অনুপ মাঝি ওরফে লালাকেও তলব করেছে সিবিআই। কিন্তু হাজিরা দেননি তিনি। গরু পাচার কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত এনামুল হক আপাতত জেল হেফাজতে রয়েছে। সিবিআই মনে করছে, লালা ও এনামুলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বিনয়ের। উদ্ধার হওয়া নথি থেকে আরও অনেক প্রভাবশালীর সন্ধান পাওয়া যেতে পারে।

গত নভেম্বর মাসে আয়কর দফতরের হাত থেকে কয়লা পাচার তদন্তের দায়িত্ব নেয় সিবিআই। তারপর থেকে একের পর এক তল্লাশি অভিযান চলেছে রাজ্যে। পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, কলকাতায় চিরুনি তল্লাশি চালিয়েছেন গোয়েন্দারা। এছাড়া হুগলির কোন্নগর এবং হাওড়ার সালকিয়ায় তল্লাশি চালায় সিবিআই। সিবিআই সূত্রে এও বলা হচ্ছে, যে সংগঠিত কায়দায় কয়লা ও গরু পাচার চলত তাতে এটা স্পষ্ট বড় মাথা এর পিছনে রয়েছে। প্রশাসনিক আশ্রয় না থাকলে এই জিনিস সম্ভব নয় বলেও মত গোয়েন্দাদের। হয়তো সেই মাথার সন্ধানেই তদন্ত এগোচ্ছে সিবিআই।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন