প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা •‘সরকার সরাসরি ধান কিনবে কৃষকদের থেকে’, চাষিদের পাশে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

প্রয়াত প্রাক্তন বিচারপতি অমিতাভ লালা

deshersamay

Share article:

হাইলাইটস

  • করোনামুক্ত হয়েও শেষ পর্যন্ত আর বাড়ি ফেরা হল না অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অমিতাভ লালার।
  • সোমবার গভীর রাতে বাইপাস লাগোয়া একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
  • বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ করোনামুক্ত হয়েও শেষ পর্যন্ত আর বাড়ি ফেরা হল না অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অমিতাভ লালার। সোমবার গভীর রাতে বাইপাস লাগোয়া একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

রাতে তাঁর প্রয়াণের খবর জানান, তাঁর পারিবারিক বন্ধু তথা আইনজীবী জয়গীপ মুখোপাধ্যায়। করোনামুক্ত হয়েও তাঁর ইনফেকশন ধরা পড়ে। শরীরে প্লাজমার ঘাটতি হয়। তাঁর পরিবার প্লাজমার আবেদন জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আহ্বান জানায়। কিন্তু সেই চিকিৎসার আগেই তিনি মারা গেলেন।

কলকাতা হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরুর পরে সেখানেই বিচারপতি হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। পরে এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে বদলি হন। সেখানে বেশ কিছুদিন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে কাজ করেন।

বিচারপতি হিসেবে এ রাজ্যে থাকাকালীন তিনিই প্রথম রাস্তা আটকে মিছিল-মিটিং করার বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেটা ২০০৪ সাল। একিন হাইকোর্টে যাওয়ার পথে তাঁর গাড়ি প্রবল যানজটে আটকায়। শুনানির সময় এগিয়ে আসতে থাকে। তিনি জানতে পারেন, সিপিএম-এর বিরাট মিছিল চলছে। আদালতে পৌঁছে তিনি বলেছিলেন, কলকাতা শহরে কাজের দিনে অফিস টাইমে রাস্তা আটকে মিছিল বন্ধ করা উচিত। এই নিয়ে তৎকালীন সিপিএম নেতাদের রোষের মুখে পড়তে হয় বিচারপতি লালাকে। এখনও বিভিন্ন সময়ে রাস্তা আটকে মিছিল-মিটিং নিয়ে মামলায় তাঁর সেই রায়ের প্রসঙ্গ উঠে আসে।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন