Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

পিকে-র টিমই সর্বনাশের মূলে বিস্ফোরক হরিহরপাড়ার বিধায়ক

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ তৃণমূলের পেশাদার ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের বিরুদ্ধে গত মাসে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছিলেন কোচবিহারের বিধায়ক মিহির গোস্বামী। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন মুর্শিদাবাদের হরিহর পাড়ার বিধায়ক নিয়ামত শেখ।


সোমবার বহরমপুর কাঁটাবাগানে একটি কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন নিয়ামত শেখ। মাইক হাতে নিয়ে বলেন, “তৃণমূলের আজকে যা সর্বনাশ হচ্ছে সব কিছুর জন্য প্রশান্ত কিশোর দায়ী। পিকে-র টিমই সর্বনাশের মূলে।”

এখানেই থামেননি হরিহরপাড়ার বিধায়ক। তিনি বলেন, “প্রশান্ত কিশোর কে? উনি কি দলের নেতা? কোন পদে রয়েছেন? যিনি দলের কেউ নন তাঁর কথা শুনব কেন? যিনি রাজনৈতিক নেতা নন তাঁর কথা শুনে রাজনীতি করতে হবে?” তাঁর কথায়, “দলে অনেক যোগ্য নেতা রয়েছেন। তাঁদের দায়িত্ব দেওয়া হোক!”


মঞ্চে ছিলেন মুর্শিদাবাদের জেলা সভাপতি আবু তাহের খান। তাঁরও সমালোচনা করেন নিয়ামত শেখ। হরিহরপাড়ার বিধায়ক বলেন, “আগে কোনও সমস্যা হলে সমাধানের পথ খুঁজে দিত জেলা নেতৃত্ব। কিন্তু বর্তমানে যিনি জেলার সভাপতি হয়েছেন, তাঁকে দিয়ে দলের কোনও কাজ করানো যায় না। কেন করতে পারছেন না, তা আমার জানা নেই।”

আবু তাহের খান বলেন, “নিয়ামত শেখের বয়স হয়েছে। উনি এখন রাজনীতিতে ডিজিটাল মাধ্যম, সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব বোঝেন না। তাই এসব বলেছেন। প্রশান্ত কিশোরকে দলের প্রয়োজন।”


সপ্তাহ খানেক আগে মুর্শিদাবাদে প্রয়াত এক জেলা পরিষদ সদস্যের স্মরণসভায় যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময়ে জেলা তৃণমূল নেতারা বলেছিলেন পরিবহণ মন্ত্রী দল ভাঙাতে এসেছিলেন। সেই সভায় যোগ দিয়েছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি মোশারফ হোসেন। কাকতালীয় হল পরের দিনই জেলা পরিষদের সভাধিপতির নিরাপত্তারক্ষী প্র্ত্যাহার করে নেওয়া হয়। পরিস্থিতি যখন এমনই তখন নিয়ামত শেখও শুভেন্দুর পক্ষে কথা বলেন। যা নিয়ে অস্বস্তিতে জেলা তৃণমূল।

বিধায়কের মন্তব্যে এদিন অস্বস্তি বেড়েছে দলেরও। কারণ, সভায় দাঁড়িয়ে দলের প্রতি একাধিক অভিযোগ প্রকাশের পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। যা স্বাভাবিকভাবেই বাড়িয়েছে জল্পনা। লাগাতার বিধায়ক, নেতাদের দলের প্রতি এহেন মনোভাব বিধানসভা ভোটে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন