Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
World Cup 2026: নকআউটে নেদারল্যান্ডস, গ্রুপে তৃতীয় হয়েও আগামীতে উঠতে পারে কোন কোন টিম? বনগাঁ পুরসভার নাকের ডগায় বাটামোড়ে ভাগাড়ের মাংস ও বিশেষ গুঁড়ো মশলা মেশানো শাহী বিরিয়ানি বিক্রির অভিযোগ পেতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ, চক্ষু চড়কগাছ স্থানীয় বাসিন্দাদের: দেখুন ভিডিও জোড়া ভূমিকম্পের পরেও ২০ বার কেঁপেছে ভেনেজ়ুয়েলা, তছনছ রাজধানীর একাংশ, বহু মৃত্যুর আশঙ্কা ভূমিকম্পের মতো ঝাঁকুনি, বিস্ফোরণের মতো শব্দ!’  প্রত্যক্ষদর্শীদের ভয়াল বর্ণনা,  প্ল্যানেই গলদ ছিল’, তারাতলা কাণ্ডে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী! তারাতলা গোডাউন বিপর্যয়:এ পর্যন্ত উদ্ধার ১৩, নামল সেনা, ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কন্ট্রোল রুম খুলে হেল্পলাইন চালু নবান্নর

কেন্দ্রের সব দফতরে ৭ লাখ শূন্য পদে নিয়োগ শুরুর নির্দেশ

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরে যত পদ খালি রয়েছে তাতে অবিলম্বে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। এমনই নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার বিনিয়োগ ও বৃদ্ধি বিষয়ক কমিটি। কাজের অগ্রগতি নিয়েও প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম রিপোর্ট জমা পড়ার কথা। সংসদে সর্বশেষ যে রিপোর্ট জমা পড়েছে তাতে প্রায় ৭ লাখ শূন্য পদ রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরে।

কেন্দ্রীয় ওই মন্ত্রিসভার ওই কমিটিতে শুধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীই নন, রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। গত ২৩ ডিসেম্বরে ওই কমিটির বৈঠক হয়। এর পরে নিয়োগ সংক্রান্ত দফতর ডিপার্টমেন্ট অফ পারসোনেল অ্যান্ড ট্রেনিং একটি সার্কুলার পাঠিয়েছে সব মন্ত্রকের সচিবদের। ওই সার্কুলারে ২৩ ডিসেম্বরের বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে প্রতি মাসের পাঁচ তারিখে নিয়োগ সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার অগ্রগতি সম্পর্কে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি সেই মতো প্রথম রিপোর্ট জমা পড়ার কথা। গত নভেম্বেরে সংসদে সরকার জানিয়েছে ২০১৮ সালেই শূন্য পদের সংখ্যা ছিল সাত লাখের মতো। এর পরেও নতুন ১.৫৭ লাখ পদ সৃষ্টি হয়েছে।

যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তাতে ২০১৮ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের সব দফতর মিলিয়ে মোট কর্মী ছিল ৩১.১৮ লাখ আর মোট পদ ছিল ৩৮ লাখের বেশি। ২০১৪ সাল থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন পদ সৃষ্টি হয় ১.৫৭ লাখ। সেই সময়ে মোট পদ ছিল ৩৬.৪৫ লাখ। ২০১৪ সালে মোট কর্মীসংখ্যা ছিল ৩২.২৩ লাখ।

ভারতে সবথেকে বেশি কর্মীসংখ্যা রেলে। ভারতীয় রেলে ২০১৮ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত শূন্য পদ ছিল ২.৫ লাখ। প্রতিরক্ষায় শূন্য পদ ছিল ১.৯ লাখ।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.