Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

লস্কর জঙ্গি শেখ সামির দেশদ্রোহিতায় দোষি সাব্যস্ত,শনিবার রায় ঘোষণা

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েব ডেস্ক:২০০৭ সালের এপ্রিল মাসে পেট্রাপোল সীমান্ত থেকে বিএসএফ এর হাতে জঙ্গি সন্দেহে ধরা পড়া লস্কর-ই-তইবার জঙ্গি শেখ নঈম ওরফে সামির দেশদ্রোহিতার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হল বনগাঁ আদালতে। মঙ্গলবার বনগাঁ মহকুমা আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক-১ বিচারক বিনয়কুমার পাঠক তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। মামলার সরকারি আইনজীবী সমীর দাস বলেন, ‘‘দেশদ্রোহিতা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, যুদ্ধ ঘোষণা, অস্ত্রমজুত-সহ ১৫টি মামলায় সামিরকে বিচারক দোষী সাব্যস্ত করেছেন। বৃহস্পতিবার এই মামলার রায় ঘোষণার কথা ছিল।’’ এদিন জঙ্গি শেখ সামিরকে আদালতে তোলা হলে, বিচারক শেখ সামিরকে জিজ্ঞাসা করেন তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, এর জন্য তিনি কেমন সাজা আশা করেন, উত্তরে জঙ্গি সামির বলেন তিনি নির্দোষ, এর পর বিচারক ফের আগামী শনিবার এই মামলার রায় ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন বলে সংবাদ মাধ্যম কে এই মামলার সরকারি আইনজীবী সমীর দাস জানান, আইনজীবী সমীর বাবু বলেন তদন্তে নেমে সিআইডি জানতে পারে, ধৃতেরা সকলেই লস্করের আত্মঘাতী বাহিনীর সদস্য। কাশ্মীরে সেনা ছাউনিতে হামলা চালানোর পরিকল্পনা ছিল তারা। পুলিশ ও সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৭ সালের এপ্রিল মাসে পেট্রাপোল সীমান্ত থেকে বিএসএফ জঙ্গি সন্দেহে চারজনকে গ্রেফতার করে। বনগাঁ থানার পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। পরে মামলার তদন্তভার নেয় সিআইডি। সামির ছাড়াও গ্রেফতার করা হয়েছিল মহম্মদ ইউনুস, শেখ আবদুল্লাহ ও মুজাফ্ফর আহমেদ রাঠৌড়। আবদুল্লাহ ও ইউনুসের বাড়ি পাকিস্তানে। রাঠৌড় কাশ্মীরের বাসিন্দা। সামিরের বাড়ি মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদ। তাদের কাছ থেকে প্রচুর নথিপত্র উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। ২০১২ সালের জুলাই মাসে বনগাঁ আদালতে মামলার শুনানি শুরু হয়। ২০১৭ সালে বনগাঁ আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক-১ আদালতের বিচারক সামির ছাড়া বাকি তিনজনকে ফাঁসির নির্দেশ দেন। ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে সামির পালিয়ে গিয়েছিল। সরকারি আইনজীবী জানান, বনগাঁ আদালতে মামলা চলাকালীন মুম্বই পুলিশ তাকে এ রাজ্য থেকে নিয়ে যাচ্ছিল। মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাতেও জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল সামিরের বিরুদ্ধে। ছত্রিসগঢ়ের কাছে চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়ে পালায় সে। সিআইডি জানিয়েছে, আবদুল্লাহ ও ইউনুস পাকিস্তানে কম্যান্ডো প্রশিক্ষণ নিয়েছিল। তারা রাওয়ালপিণ্ডি থেকে বিমানে ঢাকা এসেছিল। সেখানে মতিঝিল এলাকায় একটি হোটেলে ওঠে। সামির ও রাঠৌড়ও আসে সেখানে। সকলে চোরাপথে বেনাপোল সীমান্ত পেরিয়ে পেট্রাপোলে ঢুকেছি মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাতেও জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল সামিরের বিরুদ্ধে। ছত্রিসগঢ়ের কাছে চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়ে পালায় সে।

সে সময়ে তার মা মুম্বই আদালতে অভিযোগ করে জানান, ছেলেকে মেরে ফেলা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে এনআইএ সামিরকে গ্রেফতার করে। মাস দু’য়েক আগে বনগাঁ আদালতে সামিরের বিরুদ্ধে মামলার শুনানি শুরু হয়। গত মঙ্গলবার বিচারক ওই মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। বৃহপতিবার ফের বিচারক আগামী শনিবার এই মামলার রায় ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন৷

বৃহপতিবার ফের বিচারক আগামী শনিবার এই মামলার রায় ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন৷

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন