Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

মোদীর জয়ের পরে,বদলে গেল টাইম ম্যাগাজিনও

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ নির্বাচনের আগে লন্ডনের বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনের কভারে নরেন্দ্র মোদীকে উল্লেখ করা হয়েছিল ‘ডিভাইডার ইন চিফ’ হিসেবে। ভোট মিটতেই উলটপুরান। সেই একই ম্যাগাজিনে এ বার বলা হলো, ‘মোদী এমন এক প্রধানমন্ত্রী, যিনি এমনভাবে ভারতকে এক জায়গায় এনেছেন যা আর কোনও প্রধানমন্ত্রী পারেননি।’

মঙ্গলবার টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হওয়া এই নিবন্ধে লেখা হয়েছে, “মোদী শুধুমাত্র নিজের ক্ষমতা ধরেই রাখেননি, নিজের ক্ষমতা আরও বাড়িয়েছেন। আর এটা তিনি করেছেন, ভারতের সবথেকে বড় বিষয় শ্রেণী বৈষম্য দূর করে।” এই নিবন্ধটি লিখেছেন মনোজ লাডওয়া নামের এক ব্যক্তি। মনোজ লাডওয়া ব্রিটেনের একটি মিডিয়া কোম্পানির মালিক। তিনি মোদীর এই জয়কে “গরিব মানুষদের জন্য জনকল্যাণমুখী পরিকল্পনার জয় বলে উল্লেখ করেছেন।” ভারতের পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায় থেকে উঠে এসে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর এই যাত্রাকে তিনি প্রত্যেকের কাছে শিক্ষনীয় বলেও উল্লেখ করেছেন।

ক্ষমতা ধরে রাখার ক্ষেত্রে মোদীর বেশ কিছু পরিকল্পনার কথাও বলা হয়েছে এই নিবন্ধে। বলা হয়েছে নোটবন্দির কথাও। নোটবন্দির মাধ্যমে খুব অল্প সময়ের কষ্টের ফল যে দীর্ঘকালীন সুবিধার মাধ্যমে মোদী পেয়েছেন, সে কথাও বলা হয়েছে এই নিবন্ধে। এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন প্রকল্প, যেমন জন ধন যোজনার কথাও তুলে আনা হয়েছে। মনোজ বলেছেন, “বিভিন্ন ধরণের সামাজিক পরিকল্পনার মাধ্যমে মোদী দেশের হিন্দুদের ও মুসলিমদেরও বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। আর তার ফলেই ভারতের অন্যান্য প্রধানমন্ত্রীদের তুলনায় তাঁর সাফল্য এত বেশি।”

এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ‘ডিভাইডার ইন চিফ’ বলে কটাক্ষ করেছিল টাইম ম্যাগাজিন। মোদীকে নিয়ে নিবন্ধটি লিখেছিলেন পাক লেখক আতিস তাসির। তাঁর বাবা ছিলেন পাকিস্তানের নাম করা ব্যবসায়ী ও রাজনীতিক। তাঁর নাম ছিল সলমন তাসির। নিবন্ধে মোদী সম্পর্কে লেখা হয়, ২০১৪ সালেও তিনি মানুষের মধ্যেকার বিভাজনকে ব্যবহার করেছিলেন। সে বার তাঁকে কেন্দ্র করে অনেকের মনে আশা সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু ২০১৯ সালে তিনি মানুষকে বলছেন, বিভাজনকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দাও। ওই নিয়েই বেঁচে থাক। হতাশাকে দূরে সরিয়ে রাখ।

আরও আক্রমণাত্মক ভাষায় মন্তব্য করা হয়, ক্ষমতায় আসার পরে মোদী অতি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। একদিকে তিনি বলতেন হিন্দু পুনর্জাগরণের কথা। অন্যদিকে যে অর্থনৈতিক কর্মসূচির কথা বলতেন, তা অনেকটা দক্ষিণ কোরিয়ার মতো। আতিসের মতে, গত পাঁচ বছরে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছেন ভারতের প্রধামমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, মোদী এমন একজন রাজনীতিক যিনি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেননি। তিনি ফের নির্বাচিত হতে চান। ভোটের আগে অনেক কথা বলছেন। কিন্তু মানুষকে আশার আলো দেখাতে পারছেন না।

এই নিবন্ধের উত্তরে মুখ খোলেন মোদী। তিনি বলেন, “টাইম ম্যাগাজিন বিদেশের পত্রিকা। এই পত্রিকায় যিনি লিখেছেন তিনি পাকিস্তানের বাসিন্দা। এটা থেকেই কি বোঝা যায় না, কোন উদ্দেশ্যে আমাকে নিয়ে এই নিবন্ধ লেখা হয়েছে।” এর আগে বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্র বলেন, “পাকিস্তানের কাছে এর থেকে বেশি কী আর আশা করা যেতে পারে।”

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন