Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

বুশেহরে আমেরিকা-ইজ়রায়েলের হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হল ইরান এয়ারের যাত্রীবাহী বিমান!

deshersamay

Share article:

ইজরায়েলের হামলায় দক্ষিণ ইরানের বুশেহর বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবিমান ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানি সংবাদমাধ্যম । হামলার জেরে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পারমাণবিক প্রকল্প, দু’ক্ষেত্রেই প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

রয়টার্সের উদ্ধৃত ইরানি সংবাদসাইটগুলির দাবি, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ইরান এয়ার এর একটি যাত্রীবিমান বুশেহর বিমানবন্দরে হামলার সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ইরানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি “মাটিতেই ধ্বংস” হয়েছে। তবে হতাহতের কোনও তাৎক্ষণিক সরকারি নিশ্চিতকরণ মেলেনি। বিমানটি তখন পরিষেবায় ছিল কি না, সে সম্পর্কেও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

পারস্য উপসাগর তীরবর্তী বুশেহরেই ইরানের একমাত্র কার্যকর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অবস্থিত, ফলে হামলার বিস্তৃত প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

ইরানের দুই প্রধান বিমানবন্দরের একটি মেহরাবাদ বিমানবন্দর–ও হামলার মুখে পড়ে। এই বিমানবন্দরটি মূলত ডোমেস্টিক উড়ান পরিচালনা করে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সি ধোঁয়ার কুণ্ডলী ওঠার ছবি প্রকাশ করে জানায়, “আমেরিকা-জায়নবাদী সন্ত্রাসীরা রাজধানীর পশ্চিমে মেহরাবাদ বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় হামলা চালিয়েছে।”

এদিকে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পারমাণবিক সংস্থা রোসাতম ঘোষণা করেছে, বুশেহরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ইউনিটের নির্মাণকাজ আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। সংস্থার প্রধান অ্যালেক্সেই লিখাচেভ জানান, চলমান সামরিক পরিস্থিতিতে ভবিষ্যৎ অনুমান করা কঠিন হলেও রুশ কর্মীরা আপাতত সেখানেই থাকবেন এবং প্রকল্পটি অগ্রাধিকারে থাকবে।

লিখাচেভ আগেই সতর্ক করেছিলেন, পারমাণবিক স্থাপনার কাছাকাছি বিস্ফোরণের ঝুঁকি রয়েছে। যদিও বিদ্যুৎকেন্দ্রটিকে সরাসরি নিশানা করা হয়নি, তবু কয়েক কিলোমিটার দূরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে।

বর্তমানে ইরানে ৬৩৯ জন রুশ কর্মী রয়েছেন বলে জানান লিখাচেভ। তাঁদের মধ্যে প্রায় ১০০ জন কর্মী ও তাঁদের পরিবারকে শনিবার সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যেদিন থেকে মার্কিন ও ইজরায়েলি হামলা শুরু হয়। আকাশপথে হামলা সাময়িক থামলে পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বেসামরিক যাত্রীবিমান ধ্বংস ও পারমাণবিক নির্মাণকাজ স্থগিত – দুই ঘটনাই ইঙ্গিত দিচ্ছে, সংঘাত এখন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও বিদেশি প্রকল্পগুলিকেও সরাসরি প্রভাবিত করছে।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.