

অসম, ত্রিপুরা, ওডিশার পরে এ বার বাংলার মানুষও বিজেপিকে চাইছে— দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তর থেকে বার্তা নরেন্দ্র মোদীর। মঙ্গলবার জেপি নাড্ডার উত্তরসূরী সদস্য হিসেবে সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিক ভাবে দায়িত্ব নেন নিতিন নবীন।

সেই মঞ্চ থেকে বিজেপির সংস্কার, পরম্পরা, লক্ষ্য নিয়ে বলতে গিয়ে নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন কোণের মানুষ বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। নতুন রাজনীতিকরাও বিজেপিকেই নিরাপদ মনে করেন। গত ১১ বছরে বিজেপি হরিয়ানা, অসম, ত্রিপুরা, ওডিশায় প্রথম বার নিজেদের ক্ষমতায় সরকার গড়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও তেলঙ্গনায়ও বিজেপির পক্ষে মানুষের জোরালো আওয়াজ হয়ে উঠেছে।’

মোদী এও জানান, দীর্ঘ দিন একই সরকার মসনদে থাকলে, টিকে থাকা কঠিন হয়। কিন্তু বিজেপি এই ট্রেন্ডও ভেঙে দিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহারের কথা। মোদী বলেন, ‘এই সব রাজ্যে বহু দিন ধরে বিজেপি সরকারে। আগের থেকেও বেশি ভোটে জিতছে, সরকারে ফিরছে। মানুষের ভরসা আরও জোরদার হয়েছে। এখন বিজেপি শুধু সংসদ ও বিধানসভায় নয়, পুরসভা, কর্পোরেশনেও প্রথম পছন্দ। এর হাতে গরম উদাহরণ মহারাষ্ট্র।’

তিরুবনন্তপুরমের কথা তুলে ধরে মোদী জানান, মেয়র নির্বাচনে ৪৫ বছর ধরে থাকা বামেদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে বিজেপিকে মানুষ সুযোগ দিয়েছেন। আগামী বিধানসভা ভোটেও কেরলের মানুষ বিজেপিকে সুযোগ দেবে বলে আত্মবিশ্বাসী তিনি। তবে নিরন্তর জয়ে আত্মতুষ্টির কোনও স্থান নেই, সে কথাও মনে করিয়ে দেন তিনি। বলেন, ‘দায়িত্ব আরও বাড়ছে।’

https://x.com/i/status/2013510777785983043

মোদীর মুখে শোনা যায়, অনুপ্রবেশ-প্রসঙ্গও। অনুপ্রবেশ সমস্যাকে ‘মেজর সিকিউরিটি থ্রেট’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।






