প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
হকার উচ্ছেদ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা জানিয়ে দিলেন অগ্নিমিত্রা ,বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল সরকার! ‘নেশামুক্ত ভারত’ গড়ার ডাক মোদীর , যুব সমাজকে কী বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী? দেশজুড়ে শুরু ১০০ সপ্তাহের বিশেষ অভিযান অনুপ্রবেশকারী ও অবৈধ নাগরিক চিহ্নিত করে দেশের বাইরে বের করে দেওয়া হবে, জনগণনার শুরুর দিনে বললেন খাদ্যমন্ত্রী: দেখুন ভিডিও ‘হিংসারিপু দমন করুন’,ইসকনের মিড-ডে মিল কর্মসূচির সূচনা করে বিরোধীদের হিংসা দমনের উপদেশ মুখ্যমন্ত্রীর এক সপ্তাহের মধ্যেই বনগাঁর যশোহর রোডের দু’পাশে ‘মৃত এবং বিপজ্জনক’গাছ কাটার কাজ শুরু হবে: জানালেন খাদ্যমন্ত্রী: দেখুন ভিডিও

বাংলাকে রাজস্ব ঘাটতি খাতে ৪১৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র, জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ রাজস্ব ঘাটতি খাতে পশ্চিমবঙ্গকে আরও ৪১৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্র। শুক্রবার সকালে তা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তিনি জানান, ১৪ টি রাজ্যকে ৬১৯৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী কেন্দ্র-রাজ্য করের টাকা বন্টনের পর রাজ্যের যে রাজস্ব ঘাটতি হচ্ছে তা কমাতে ৬টি সহজ কিস্তিতে এই টাকা দেওয়া হচ্ছে।

অর্থাৎ এপ্রিল মাস থেকে শুরু করে ৬ মাস ধরে প্রতি মাসে ৪১৭ কোটি টাকা করে পাবে পশ্চিমবঙ্গ। নির্মলার বক্তব্য, এতে কোভিড মোকাবিলায় রাজ্যের কিছুটা সুরাহা হবে। চোদ্দটি রাজ্যের মধ্যে সবথেকে বেশি বরাদ্দ হয়েছে কেরলের জন্য—১২৭৬ কোটি টাকা।

যদিও রাজ্যগুলির বক্তব্য কেন্দ্রের কাছে যা বকেয়া রয়েছে তার কাছে এটা কিছুই নয়। রাজস্ব ঘাটতি খাতে কেন্দ্র ৬টি কিস্তিতে যে টাকা দিচ্ছে তা এক লপ্তে চেয়েছিল নবান্ন। কিন্তু নর্থ ব্লক তা মেনে নেয়নি। তা ছাড়া জিএসটি বাবদ ক্ষতিপূরণের বিপুল টাকাও বকেয়া পড়ে রয়েছে বলে রাজ্যের দাবি। এ ব্যাপারে কদিন আগে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠিও লিখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জিএসটি বাবদ ক্ষতিপূরণের টাকা কেন্দ্র যে দিতে অপারগ তা সম্প্রতি কাউন্সিলের বৈঠকে ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দিয়েছে। সেই সঙ্গে রাজ্যগুলিকে জানিয়েছে, তারা এই ঘাটতি মেটাতে ঋণ নিতে পারে। কিন্তু কেন্দ্রের সেই প্রস্তাবে নারাজ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্র ক্ষতিপূরণের টাকা না মেটালে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় তা রাজ্যের উপর বড় আঘাত বলে বিবেচিত হবে। তা ছাড়া কম সুদে ঋণ নেওয়ার সুযোগ কেন্দ্রের যতটা রয়েছে তা রাজ্যের নেই। তাই কেন্দ্র ঋণ নিয়ে রাজ্যগুলিকে দিক। রাজ্য কথা দেবে সেস বসিয়ে সেই টাকা পরিশোধ করা হবে।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন