প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
হকার উচ্ছেদ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা জানিয়ে দিলেন অগ্নিমিত্রা ,বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল সরকার! ‘নেশামুক্ত ভারত’ গড়ার ডাক মোদীর , যুব সমাজকে কী বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী? দেশজুড়ে শুরু ১০০ সপ্তাহের বিশেষ অভিযান অনুপ্রবেশকারী ও অবৈধ নাগরিক চিহ্নিত করে দেশের বাইরে বের করে দেওয়া হবে, জনগণনার শুরুর দিনে বললেন খাদ্যমন্ত্রী: দেখুন ভিডিও ‘হিংসারিপু দমন করুন’,ইসকনের মিড-ডে মিল কর্মসূচির সূচনা করে বিরোধীদের হিংসা দমনের উপদেশ মুখ্যমন্ত্রীর এক সপ্তাহের মধ্যেই বনগাঁর যশোহর রোডের দু’পাশে ‘মৃত এবং বিপজ্জনক’গাছ কাটার কাজ শুরু হবে: জানালেন খাদ্যমন্ত্রী: দেখুন ভিডিও

বনগাঁ পুরসভায় অচলাবস্থা, আস্থা বৈঠকের ডাক গোপাল শেঠ বিরোধীদের

deshersamay

Share article:

বনগাঁ পুরসভার পুরপ্রধান গোপাল শেঠের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে জটিলতা কাটাতে এ বার আস্থা বৈঠকের ডাক দিলেন তিন কাউন্সিলার।

বনগাঁর পুরপ্রধান গোপাল শেঠের বিরোধী হিসেবে পরিচিত তিন কাউন্সিলার কৃষ্ণা রায়, নারায়ণ ঘোষ এবং জোৎস্না আঢ্য আগামী ১০ ডিসেম্বর বনগাঁর রূপসী বাংলা প্রেক্ষাগৃহে আস্থা বৈঠক ডেকেছেন। সেই সংক্রান্ত নোটিস ইতিমধ্যে সমস্ত কাউন্সিলারদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষ্ণা।

সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ওই দিনই পুরপ্রধানের পদ থেকে গোপালের বিদায়ের সম্ভাবনা প্রবল। যদিও তা নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট দিনে কতজন কাউন্সিলার উপস্থিত থেকে গোপাল শেঠের বিপক্ষে মত দেন তার উপরেই।

গত ৬ নভেম্বর দলের নির্দেশে বনগাঁর পুরপ্রধান পদে গোপাল শেঠকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছিল। ১৫ তারিখ পর্যন্ত সময়সীমা দেওয়া হয় তাঁকে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেও তিনি পদত্যাগ না করায় ৯ জন কাউন্সিলার তাঁর বিরুদ্ধে গত ১৯ নভেম্বর অনাস্থা আনেন। ২২ নভেম্বর তাঁর হাতে অনাস্থার সেই নোটিসও পৌঁছে দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী ১৫ দিনের মধ্যে পুরপ্রধানের আস্থা বৈঠক ডাকার কথা। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে পুরপ্রধান আস্থা সভা ডাকেননি বলে অভিযোগ।

পুরপ্রধান বৈঠক না ডাকলে দায়িত্ব পড়ে উপ পুরপ্রধানের উপর। এই আবহে উপ পুরপ্রধানকে পদ থেকে বরখাস্ত করায় সেই উদ্যোগ নিলেন তিন কাউন্সিলার।

কিন্তু সে দিনের বৈঠকে গোপালপন্থীরা আদৌ হাজির থাকেন কিনা, থাকলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাঁদের দিকে যাবে, নাকি দলীয় নির্দেশে পরবর্তী কেউ পুরপ্রধানের দায়িত্ব নেবেন সে দিকে তাকিয়ে রয়েছেন বনগাঁবাসী। কারণ শাসক দলের আভ্যন্তরীণ এই ডামাডোলে পুর পরিষেবা থেকে তাঁরা বঞ্চিত হচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে গোপাল শেঠের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

বিজেপি কাউন্সিলার দেবদাস মণ্ডল বলেন, ‘বনগাঁ পুরসভায় অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তিন কাউন্সিলার আস্থা বৈঠক ডেকেছেন, আমাকেও নোটিস দেওয়া হয়েছে। দলের সঙ্গে আলোচনা করে বৈঠকে যোগ দেব কি না সিদ্ধান্ত নেব।’

Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন