Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

বনগাঁর মঙ্গলবারের সুতি বস্ত্রের হাটের স্থান পরিবর্তনে খুশির হাওয়া ব্যাবসায়ী মহলে

deshersamay

Share article:

দেশের সময়: আজ থেকে বনগাঁর মঙ্গলবারের সুতি বস্ত্রের হাটের স্থান পরিবর্তন হল। বনগাঁ শিমুলতলা আয়রনগেটের মাঠ থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল গান্ধীপল্লী সাহেব বাড়ির মাঠে ।দেখুন ভিডিও:

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তেই বন্ধ ছিল বনগাঁর শিমুলতলা আয়রনগেটের মাঠের সুতি বস্ত্রের হাট । বনগাঁ মহকুমা প্রশাসন এবং পুরসভা ও সুতি বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক বৈঠক করেএই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানাগিয়েছে৷

এই বিষয়ে বনগাঁর পুরপ্রশাসক গোপাল শেঠ বলেন, শিমুলতলা আয়রনগেটের মাঠ থেকে সুতি বস্ত্রের হাট সরানোর মূল কারণ কোভিড পরিস্থিতি৷ করোনার কারণে প্রশাসনিক নির্দেশ মত পৌরসভার পক্ষ থেকে গান্ধীপল্লী-র সাহেববাড়ি মাঠে সুতি বস্ত্রের হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে । আপাতত অস্থায়ীভাবে হাট বসছে আগামীতে স্থায়ী সমাধান করবার ব্যবস্থা করা হবে। দীর্ঘদিন ধরেই শিমুলতলার হাট বন্ধ থাকায় ব্যাবসায়ীরা অর্থনৈতিক ভাবে চরম সঙ্কটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন ,তাঁদের কথা মাথায় রেখে প্রশাসনিক স্তরের সিদ্ধান্তের ডিত্তিতেই হাট সরানো হল।

সুতিবস্ত্র ব্যাবসায়ী সমিতির অস্থায়ী সভাপতি অ‍সীত দত্ত এবং সম্পাদক নিমাই সরকার জানান, একেই করোনায় বিদ্ধস্ত হয়ে পড়েছিলেন ব্যাবসায়ীরা তার উপরে শিমুলতালায় মানুষ যেতে চাইত না,দম বন্ধ হয়ে এসেছিল ব্যাবসায়ীদের, তেমন ভাবে ক্রেতারাও আসতনা ওই মাঠে,ফলে খরচ উঠত না ,মুখ থুবড়ে পড়েছিল ব্যাবসা। করোনা বিধি মেনে হাট করবার জন্য গান্ধীপল্লী সাহেব বাড়ির মাঠে হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ায় খুশির হাওয়া ব্যাবসায়ী মহলে।পুরসভার পুরপ্রশাসকের ভূমিকায় সন্তুষ্ট সকলে।

প্রশাসনের কথা মেনে,সেই মত আজ মঙ্গলবার সকালে গান্ধীপল্লী সাহেব বাড়ির মাঠে অস্থায়ীভাবে হাট বসা শুরু হয় । নতুন জায়গার হাট নিয়ে বিক্রেতারা দাবি করেন শিমুলতলার জায়গা থেকে এই জায়গাটা অনেক বড় সেই কারণে কেনাবেচা করতে সুবিধা হচ্ছে এবং স্থায়ী সমাধান করবার জন্য আবেদন জানিয়েছে প্রশাসনের কাছে।

হাটে বাজার করতে আসা ক্রেতাদের দাবি শিমুলতলা শহরের বাসস্ট্যান্ড থেকে অনেক দূরে ছিল যাতায়াতের অসুবিধা হত এবং নদী পেড়িয়ে যেতেও ভয় লাগত, মাল পত্র কেনার ক্ষেত্রে ছোট জায়গায় গাড়ী রাখার সমস্যাও ছিল। এই জাইগাটা বড় স্টেশনও কাছে,হওয়ায় দেখে শুনে কেনা কাটা করা যাচ্ছে আর কোন ভয়ও নেই । বনগাঁ নিউমার্কেট ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি নিত্য দাস বলেন, করোনা গ্রাস থেকে ব্যাবসায়ীদেরকে রক্ষা করার জন্য অভিনন্দন বনগাঁ পুরপ্রশাসক এবং পুলিশ প্রশাসনকে,তাঁদের জন্যই আজকে সুতি বস্ত্র ব্যাবসায়ীরা ফের বাঁচার জন্য অক্সিজেন পেল ।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন