Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

পার্থ শিল্পে, শিক্ষায় ব্রাত্য, অর্থে অমিত, মন্ত্রিসভার দফতর বন্টন করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ সোমবার সকালে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক সঙ্গে শপথ বাক্য পাঠ করে মন্ত্রী হয়েছেন ৪৩ জন বিধায়ক। তার পর দুপুরের মধ্যেই মন্ত্রিসভার দফতর বন্টন করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

তাতে সব থেকে বড় চমক হল শিক্ষা দফতর থেকে সরিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে শিল্প ও বাণিজ্য দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হল। সেই সঙ্গে তথ্য ও প্রযুক্তি দফতর ও সংসদ বিষয়ক দফতরের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে তাঁকে। অনেকের মতে এটা নিঃসন্দেহে দলের মহাসচিবের পদোন্নতি বটে। আর শিক্ষা মন্ত্রী করা হল ব্রাত্য বসুকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম মন্ত্রিসভায় শুরুতে এই ব্যবস্থাই ছিল। তখনও শিল্প মন্ত্রী ছিলেন পার্থবাবু। আর ব্রাত্য ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রী। এবার সেই ব্যবস্থায় ফেরালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রইল স্বরাষ্ট্র ও পাহাড় বিষয়ক দফতর, কর্মিবর্গ দফতর, স্বাস্থ্য দফতর, ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর এবং উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর।


রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের পত্তন হওয়ার পর থেকে পঞ্চায়েত মন্ত্রী ছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এবারও তাঁর দফতর বদল হয়নি। তবে তাঁকে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ও শিল্প পুনর্গঠন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


মুখ্যমন্ত্রী যে অমিত মিত্রকেই অর্থমন্ত্রী পদে চান তা আগেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। কারণ, অমিতবাবু এবার ভোটে না লড়লেও তিনি শপথ নিয়েছেন। তখনই স্পষ্ট হয়ে যায় যে প্রাক্তন এই ফিকি কর্তাই ফের অর্থমন্ত্রী হতে চলেছেন। হয়েছেও তাই।

তবে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের যেমন পদোন্নতি হয়েছে তেমনই মন্ত্রিসভায় আপাত দর্শনে গুরুত্ব কমেছে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। আগে খাদ্য ও গণবন্টন মন্ত্রী ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালু। এবার তাঁকে বন ও অচিরাচরিত শক্তি উৎস্য দফতরের মন্ত্রী করা হয়েছে। ক্রেতা সুরক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন সাধন পাণ্ডে। তাঁর দফতর বদল হয়নি।


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম মন্ত্রিসভায় শরিক দল কংগ্রেস থেকে সেচ মন্ত্রী ছিলেন মানস ভুইঞাঁ। তিনি এখন তৃণমূলের মন্ত্রী। মানসবাবুকে এ বার জল অনুসন্ধান দফতরের মন্ত্রী করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।


আবার কিছুটা হলেও মন্ত্রিসভায় ওজন কমেছে অরূপ বিশ্বাসের। আগের মন্ত্রিসভায় পূর্ত ও ক্রীড়়া এবং যুবকল্যাণ মন্ত্রী ছিলেন অরূপ বিশ্বাস। এবার তাঁকে বিদ্যুৎ এবং ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ মন্ত্রী করা হয়েছে।

পূর্ণ মন্ত্রী কে কোন দফতর পেলেন এক নজরে:


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় – মুখ্যমন্ত্রী। স্বরাষ্ট্র ও পাহাড় বিষয়ক দফতর, কর্মিবর্গ দফতর, স্বাস্থ্য দফতর, ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর এবং উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়—শিল্প ও বাণিজ্য। তথ্য ও প্রযুক্তি। সংসদ বিষয়ক।

পার্থ চট্টোপাধ্যায়—শিল্প ও বাণিজ্য। তথ্য ও প্রযুক্তি। সংসদ বিষয়ক।

অমিত মিত্র- অর্থ, যোজনা ও পরিসংখ্যান।
সাধন পাণ্ডে- ক্রেতা বিষয়ক। স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্বনিযুক্তি।

জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক—বন, অচিরাচরিত শক্তি উৎস্য।
বঙ্কিম চন্দ্র হাজরা- সুন্দরবন বিষয়ক।

মানস ভুইঞাঁ—জল অনুসন্ধান।
সৌমেন মহাপাত্র—সেচ ও জল পরিবহণ।
মলয় ঘটক—আইন ও বিচার ব্যবস্থা।
উজ্জ্বল বিশ্বাস—কারা দফতর।
অরূপ বিশ্বাস—বিদ্যুৎ, ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ।
অরূপ রায়—সমবায়


রথীন ঘোষ—খাদ্য ও গণবন্টন।
ফিরহাদ হাকিম—পরিবহণ ও আবাসন।
চন্দ্রনাথ সিনহা—ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং বস্ত্র।
শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়—কৃষি

ব্রাত্য বসু—স্কুল শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষাপুলক রায়—জনস্বাস্থ্য কারগরী।
শশী পাঁজা—মহিলা ও শিশু কল্যাণ।


গুলাম রব্বানি—সংখ্যালঘু উন্নয়ন।
বিপ্লব মিত্র—কৃষি বিপণন।
জাভেদ আহমেদ খান—বিপর্যয় মোকাবিলা।
স্বপন দেবনাথ—প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন।
সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী—মাস এডুকেশন ও লাইব্রেরি।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন