Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের উপমুখ্যমন্ত্রী আব্বাস, মেয়র ফিরহাদ ’,নতুন মোড়কে টুইট কৈলাসের

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ শনিবারের বারবেলায় তৃণমূল কংগ্রেস যখন ভোট স্লোগান আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রকাশ করেছে, তখন বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়ও তাঁদের পুরনো রাজনৈতিক লাইন নতুন মোড়কে টুইট করেছেন।

তৃণমূলের স্লোগান, ‘বাংলা তার নিজের মেয়েকে চায়’। অনেকের মতে, এই স্লোগানের মধ্যে বাংলা ও বাঙালি যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে ব্র্যান্ড মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপণন। তৃণমূলের এই ব্র্যান্ডটাই বড় পুঁজি।


কিন্তু কৈলাসের বক্তব্য বাংলার সমীকরণ পরিষ্কার। পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি তৃণমূলের উপ মুখ্যমন্ত্রী। সিপিএম-কংগ্রেস জোটের মুখ্যমন্ত্রী পদ প্রার্থী হলেন আবদুল মান্নান। আর কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তাঁর কথায়, “বাংলা কোন দিকে যাচ্ছে, তা বাংলার মানুষকে ভাবতে হবে।”

https://twitter.com/KailashOnline/status/1363042659388952588?s=20

শুধু কৈলাস কেন, অমিত শাহদের পরিষ্কার বক্তব্য, ব্র্যান্ড ইত্যাদি বাহ্যিক কথা। তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ রসায়ন হল সংখ্যালঘুদের তুষ্টিকরণ। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, শাসক দলের ভোট কুশলী পরিষ্কার বলছেন, ৩০ শতাংশ ভোট তাঁদের নিশ্চিত। কোন ৩০ শতাংশ তা মানুষ ঠিক বুঝতে পারছে। ওদিকে বাম কংগ্রেসেরও লক্ষ্য এখন সংখ্যালঘু ভোটে ভাগ বসানো।

তৃণমূল সম্পর্কে এ সব কথা বলে, কৈলাস বিজয়বর্গীয়রা বাংলায় ধর্মীয় মেরুকরণ তীব্র করে তুলতে চাইছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। যা বিজেপিরও পুরনো লাইন।
কৈলাসের এই টুইট নিয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী জানিয়েছেন, “বিভাজনের রাজনীতি বিজেপির মজ্জায় রয়েছে। সংখ্যালঘুরাও ভারতের নাগরিক। তাঁদের সমানাধিকার রয়েছে। সমাজের একটা অংশ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন রেখে গোটা সমাজের উন্নয়ন হতে পারে না”।

পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, বাংলার ভোটে এবার ধর্মীয় মেরুকরণের চেষ্টা যে দুই শিবিরের তরফেই হবে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তবে হ্যাঁ তার বাইরেও কথা হবে। তৃণমূল যেমন বাংলার মেয়ের কথা বলবে, স্বাস্থ্য সাথী কার্ড, ২ টাকা কেজি চালের কথা বলবে, তেমনই নরেন্দ্র মোদী বলবেন বাংলার অনগ্রসরতা কাটানোর কথা, শিল্পায়ণের কথা, পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা। উদ্বেগের বিষয় শুধু একটাই এই তীব্র মেরুকরণের অভিঘাতে বাংলায় যাতে অশান্তির আবহ তৈরি না হয়।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন