রাজ্যের নারী ও শিশুবিকাশ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল মেয়েদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন। যা নিয়ে এল চিত্র শিল্পীর তুলিতে প্রতিক্রিয়া।
মে মাসের শুরুতেই পশ্চিমবঙ্গে হয়েছে রাজনৈতিক পালাবদল। প্রথমবারের মতো রাজ্যের দায়িত্বে এসেছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব এখন শুভেন্দু অধিকারি-র হাতে। সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে নেওয়া হয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। যার মধ্যে অন্যতম হলো রাজ্যের নারী ও শিশুবিকাশ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মেয়েদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা।
দিন হোক বা রাত, মহিলারা যাতে যে কোনো সময় নির্ভয়ে যাতায়াত করতে পারেন, তার নিশ্চিয়তা দিয়েছেন অগ্নিমিত্রা। সঙ্গে অভিযোগ পেলেই পুলিশকে অবিলম্বে এফআইআর নিতে হবে, এমনটাও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।

আর সম্প্রতি কলকাতার যাদবপুরের এক চিত্র শিল্পী মোহিনী বিশ্বাস অগ্নিমিত্রার বক্তব্যের নিরিখে মতামত প্রকাশ করলেন তাঁর তুলির টানে। নারী শ্বরীরে রং তুলির আঁচড়ে ফুঁটিয়ে তুলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতীকী ছবি। শিল্পী আরও বলেন,রাতে মেয়েরা নির্ভয়ে বের হবে এই দাবি ২০২৬ ~এর ভোটের প্রচারে শোনা গিয়েছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের মুখেও । তখন থেকেই এক অদ্ভুত অনুভূতি এবং মনে জোর এসেছিল । তারপর ৪ তারিখ বাংলার পরিবর্তন হল । মনটা আনন্দে ভরে উঠেছিলো । পাশাপাশি দেশের প্রধান মন্ত্রী মোদীজী যেভাবে নারীদেরকে সাহস যুগিয়েছেন এবং নারী সুরক্ষার কথা বলেছেন । আমরা দেশের নারীরা মুগ্ধ। তাই আমার এই ছবিতে নারী শ্বরীরে ফুঁটিয়ে তুলেছি মোদীজীকে ।
অগ্নিমিত্রা পালের বক্তব্য নিয়ে শিল্পীর মতামত জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘ অভয়ার ঘটনার পর ভয়ে ভয়ে রাস্তাঘাটে বেরিয়েছি এটা অস্বীকার করব না। এতবছর হল, কলকাতায় রয়েছি। তবুও এরকম কোনো মানুষ যিনি সরকারের একটা বড় দায়িত্বে রয়েছেন, তার কাছ থেকে এমন একটা কথা আসে, তা মনে একটা শান্তি দেয়। খুব তাৎপর্যপূর্ণ। এরকম বক্তব্য তাঁদের কাছ থেকে আসাটা খুব শান্তির এবং সাহসের প্রতীক।’
প্রসঙ্গত, শপথ গ্রহণের পর অগ্নিমিত্রা জানিয়েছেন যে, খুব শীঘ্রই রাজ্যে চালু হতে চলেছে উইমেন হেল্পলাইন নম্বর ১৮১। এই হেল্পলাইনটি ‘জিও-ট্যাগিং’ প্রযুক্তিতে কাজ করবে। যার ফলে কোনো মহিলা বিপদে পড়ে ফোন করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিকটবর্তী থানায় সতর্কবার্তা পৌঁছে যাবে এবং পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারবে। অগ্নিমিত্রার কথায়, ‘রাত আটটার পর কেন বাইরে বেরোলেন এমন প্রশ্ন কেউ তুলবে না। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।’



